প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৬, ২০:৪৩
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী চাঁদপুরের ফাতেমা খানম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ফরিদগঞ্জের সন্তান ফাতেমা খানম। ইতোমধ্যেই তিনি তার মনোনয়নপত্র কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দিয়েছেন।
|আরো খবর
জানা যায়, ফাতেমা খানম মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-মানব উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ১৯৯৬ সালে ফরিদগঞ্জ উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। এরপর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক, জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি, জেলা বিএনপির সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, ঢাকা মহানগর মহিলা দলের সহ-সাধারণ সম্পাদকসহ নানা দায়িত্ব পালন করেন। দলের প্রয়োজনে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে গিয়ে ১/১১-এর জরুরি অবস্থায় স্বামী সন্তান ও পরিবারবর্গসহ গ্রেফতার হন এবং কারাভোগ করেন। ২০০১ সালে তিনি পুরো উপজেলায় প্রতিটি ইউনিয়নে মহিলা দলের শাখা কমিটি করেন এবং নানা সভা-সমাবেশে চোখে পড়ার মতো নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।
তাঁর কর্মী-সমর্থকরা জানান, ফাতেমা নানা সময়ে দুঃস্থ ও অসহায় নারীর পরিবারদের উন্নয়নে ৩২টি ভ্যান ও কিছু অটোরিক্সা প্রদান, সেলাই প্রশিক্ষণ ও কুটির শিল্পের প্রসারের মাধ্যমে নারীদের স্বাবলম্বী করতে ভূমিকা রেখেছেন। এছাড়া দুর্যোগসহ নানা সময়ে অসহায়দের মাঝে ত্রাণ বিতরণ, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, বৃক্ষরোপণ অভিযানসহ নানাবিধ সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছেন।
তৃণমূলের নারী নেত্রীরা বলেন, রাজপথে অনেকে না থাকলেও ফাতেমা খানম মামলা, হামলা, জেল, জুলুম, নির্যাতন উপেক্ষা করেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ২০২৪-এর ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানে সরাসরি নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং ৫ আগস্ট বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরেছেন। এর মাঝে কত সময় অর্থ সংকটসহ পরিবার নিয়ে পালিয়ে বেড়িয়ে মানবেতর জীবন কাটালেও দলের প্রয়োজনে পুনরায় রাজপথেই সক্রিয় হয়েছেন।
তথ্য মতে, ফাতেমা খানম হচ্ছেন সৈয়দ আলী মাস্টার ও ছলেমা খাতুনের মেয়ে এবং মো. ইব্রাহিম খানের স্ত্রী। তিনি ১৯৭৫ সালের ৮ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার নিউ ইস্কাটন রোডের দিলু রোডের ট্রপিক্যাল এনএমজি টাওয়ার ২২৪/১-এ বসবাস করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন।
এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য নিশ্চিত করে বিএনপির এই নারীনেত্রী ফাতেমা খানম বলেন, তৃণমূলের দাবির প্রেক্ষিতে আমি ইতোমধ্যেই দলীয় প্রধান বরাবর মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি এবং আমার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। যদি আমি সুযোগ পাই তাহলে পূর্বের মতো করে আরও ব্যাপকভাবে দল ও জনগণের জন্য কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য পূরণে কাজ করবো।








