প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২:৪২
মন্ত্রিসভায় শপথ নিয়ে এহছানুল হক মিলনের চমক
প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণমন্ত্রী

বিএনপি সরকারের পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার সরকারে তিনি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। এই আসন থেকে এবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
|আরো খবর
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল ১০টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ এহছানুল হক মিলন মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়ে বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণে অংশ নেন। তাঁকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
তার এই অর্জনের মাধ্যমে চাঁদপুরবাসী আবারো পূর্ণ মন্ত্রী পাওয়ার আশা পূরণ হল।
সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই তাকে ঘিরে শুরু হয় গুঞ্জন। এহছানুল হক মিলন বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই এলাকাবাসী ও চাঁদপুরের রাজনৈতিক মহল ধরেই নিয়েছেন, তিনি এমপি হলেই মন্ত্রী হবেন। মঙ্গলবার বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে তাদের সেই আশা পূরণ হলো।
বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যে অন্যতম সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ এবং প্রশাসনিক সংস্কারে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি পুনরায় শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন–এ সংবাদের আলোচনায় দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর মধ্যে উচ্ছ্বাস এবং রাজনৈতিক অঙ্গন এখন সরগরম।
তাকে কেন্দ্র করে কচুয়াতে হাইব্রিড বিএনপি রাজনৈতিক মেরুকরণ করা হয়েছে। অথচ এহছানুল হক মিলন চাঁদপুরে সবচেয়ে নির্যাতিত নেতা ছিলেন। দ্রুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় দীর্ঘ এক বছরও বেশি সময় কারাবন্দি থাকতে হয়েছে তাকে।
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং সংসদ সদস্য। তিনি ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। এর আগে তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
রাজনৈতিক জীবন : মিলন ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ-২৬০ চাঁদপুর-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এতে তিনি আওয়ামী লীগ দলের প্রার্থী, প্রাক্তন মন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীরকে পরাজিত করেন।








