বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০:৩৩

শিক্ষামন্ত্রী হলেন ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন

কচুয়ায় আনন্দের বন্যা ও মিষ্টি বিতরণ

আলমগীর তালুকদার।।
শিক্ষামন্ত্রী হলেন ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন

চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনের সংসদ সদস্য ড. আ.ন.ম. এহছানুল হক মিলন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় সমগ্র কচুয়ায় আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের মাঝে বিপুল আনন্দ ও উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। এই আনন্দের সংবাদে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ জনগণ মিষ্টি বিতরণ করেন। সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সর্বস্তরের জনগণের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দ বিরাজ করে।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি খাইরুল আবেদীন স্বপন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ড. মিলনকে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমরা আশা করছি, যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নবনিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন তাঁর পূর্বের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটিয়ে জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম হবেন। আমরা মহান রাব্বুল আলামিনের নিকট শোকরিয়া ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

সাচার ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ ও উপজেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক নওশের আলম অভিব্যক্তি প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন ২০০১ সালে বিএনপি সরকারের আমলে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নকল প্রতিরোধে ব্যাপক ভূমিকা রেখে দেশব্যাপী প্রশংসিত হয়েছিলেন। ২০১৭ সালে তারেক রহমানের পরামর্শে তিনি কারিগরি শিক্ষার ওপর ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। আমরা আশা করছি, ভেঙ্গে পড়া শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুনর্গঠনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন।

কচুয়া উপজেলা উত্তরাঞ্চল বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মিয়াজি জানান, সমগ্র দেশে নকল প্রতিরোধ ও কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে যুব সমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর হাত ধরে কচুয়া হবে একটি আদর্শ শিক্ষা নগরী। আমরা আল্লাহর কাছে শোকরিয়া আদায় করছি। কচুয়ায় কোনো বৈষম্য থাকবে না, তাই দল-মত নির্বিশেষে আমরা সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়