প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ২০:১২
প্রায় ১০ মণ ওজনের 'বাহাদুরে'র দাম ৫ লাখ টাকা
ক্রেতার জন্যে ত্রিশ হাজার টাকা দামের খাসি ফ্রি

পবিত্র ঈদুল আযহা আসছে। ইতোমধ্যেই শুরু হওয়া কোরবানির হাটের ইজারা দেয়ার কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে। আর কোরবানির পশু বিক্রির জন্যে অপেক্ষায় থাকা ব্যবসায়ীরা ইতোমধ্যেই পশু বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কোরবানির হাট বসার আগেই চমক দিয়েছেন ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের খুরুমখালী গ্রামের আনেয়ার হোসেন খান নামে এক সৌখিন ব্যবসায়ী । তিনি গত তিন বছর ধরে লালনপালন করা শাহী ওয়াল জাতের প্রায় দশ মণ ওজনের একটি গরুর দাম হাঁকিয়েছেন ৫ লাখ টাকা। এটি স্বাভাবিক হলেও তার ঘোষণাতেই রয়েছে চমক । যিনি এই গরুটি ক্রয় করবেন তাকে উপহার হিসেবে প্রায় ত্রিশ হাজার টাকা দামের একটি খাসি ফ্রি দেবেন।
|আরো খবর
সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, খুরুমখালী গ্রামের মোহাব্বত আলী মাস্টার বাড়ির আনোয়ার হোসেন দীর্ঘকাল প্রবাসে ছিলেন। প্রবাস জীবন শেষে দেশে এসে খুরুমখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দেয়ার পাশপাশি গত ৭ বছর ধরে প্রতিবছর কোরবানির জন্যে দুটি গরু লালন পালন করেন। গত তিন বছর পূর্বে তিনি চাঁদপুরের সফরমালী বাজার থেকে শাহী ওয়াল জাতের একটি গরু ক্রয় করে লালন পালন শুরু করেন। 'বাহাদুর' নাম দিয়ে দেশীয় জাতের খাবার দিয়ে লালন পালন করা গরুটির বর্তমান ওজন প্রায় ১০ মণ।
এবারের কোরবানির জন্যে প্রস্তুত বলে জানিয়ে তিনি বলেন, আমি গরুর খাবারের জন্যে দোকানের পেছনের ধান ক্ষেতে ঘাসের চাষ করেছি। সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খাইয়েছি তাকে। দাম আরো বেশি থাকলেও দরদাম বুঝি না, ৫ লাখ টাকা দিলেই আমি ক্রেতার হাতে এটিকে তুলে দেবো। শুধু তাই নয়, যিনি আমার বাহাদুরকে ক্রয় করবেন তাকে উপহার হিসেবে আমি ব্যক্তিগতভাবে ত্রিশ হাজার টাকা দামের খাসি উপহার দেবো। যোগাযোগের জন্য আমার নাম্বারটি হলো : ০১৭১৪২৪৭৬৪৭।
সাবেক ইউপি সদস্য আহাসন হাবিব খান, আরিফ হোসেনসহ স্থানীয় লোকজন জানান, এই অঞ্চলের গরু চাষীদের মধ্যে আনোয়ার হোসেনের গরুই সেরা। কারণ তিনি প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ান।
ছবির ক্যাপসন
ফরিদগঞ্জের খুরুমখালী গ্রামের প্রায় ১০মণ ওজনের 'বাহাদুর'।








