প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০১:২১
বাগাদীতে মাদক ব্যবসা জমজমাট

চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নে মাদক ব্যবসা জমজমাট আকার ধারণ করেছে। প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এদিকে কোনো নজর নেই।
|আরো খবর
জানা যায়, বাগাদী ইউনিয়নের সর্বত্র এখন হাত বাড়ালেই যে কোনো মাদক পাওয়া যায়। এক শ্রেণির পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী প্রতিদিন লাখ টাকার মতো মাদক বিক্রি করে থাকে। ইউনিয়নজুড়ে যেনো মাদক বেচা-কেনার ধুম পড়েছে। ইউনিয়নের আনাচেকানাচে রয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় অনেক মাদক ব্যবসায়ী। কেউ ইয়াবা, কেউ ফেনসিডিল কেউবা গাঁজা বিক্রি করে। দিনের আলোতে এদের আনাগোনা কম হলেও সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসলে তাদের তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। এরা গভীর রাত পর্যন্ত মোটরসাইকেল, সিএনজি অটোরিকশা ও অটোরিকশায় করে মাদক নিয়ে চলাচল করে থাকে। এদের মাদক ব্যবসার কথা সচেতন লোকজন জানলেও ভয়ে কেউ মুখ খুলে কথা বলতে চায় না। কারণ, কখন আবার কার উপরে কোন্ অজুহাতে হামলা করে বসে।
একটি সূত্র জানায়, বাগাদী ইউনিয়নের সকল মাদক ব্যবসায়ীর একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। এ চক্রের মাধ্যমে মাদক পাচার ও বিক্রি করা হয়। আর এ চক্রটি বাগাদী চৌরাস্তার আশপাশে থেকে পরিচালনা করা হয়ে থাকে। চক্রটি প্রভাবশালী ও চতুর হওয়ায় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে তাদের ব্যবসা জমজমাটভাবে চালিয়ে যাচ্ছে।
এ ইউনিয়নের মাদক ব্যবসায়ীরা দিন দিন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে। এরা কাউকে তোয়াক্কা করে না বললে চলে।
একটি সূত্র জানায়, ৫ আগস্টের পর হতে বাগাদী ইউনিয়নের মাদক ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কোনো লোকজনকে অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায়নি। মাঝে মধ্যে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ কিছু চুনোপুঁটিদেরকে আটক করলেও রাঘববোয়ালরা ধরাছোয়ার বাইরে রয়ে যায়।
সূত্র আরো জানায়, চাঁদপুরের পুলিশ সুপার কাগজপত্র ও মেয়াদবিহীন গাড়ি আটকের ন্যায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করলে মাদক নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। এতে উঠতি বয়সী যুবক, স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া ছাত্ররা মাদকের হাত থেকে রক্ষা পাবে।
এ ব্যাপারে চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমানকে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
ডিসিক/ এমজেডএইচ








