প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৮
নিষিদ্ধ ট্রাক্টরের বেপরোয়া চলাচল

চাঁদপুর জেলায় নিষিদ্ধ ট্রাক্টরের বেপরোয়া চলাচল আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
|আরো খবর
এসব নিষিদ্ধ ট্রাক্টর চাঁদপুর সদর উপজেলায় বেশি চলাচল করছে। নিষিদ্ধ ট্রাক্টরের চলাচলের কারণে সড়কের স্ট্রাকচার নষ্ট হওয়াসহ সড়ক ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ট্রাক্টরগুলো বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে থাকে। অযোগ্য অদক্ষ চালক দ্বারা গাড়ি চালানো হচ্ছে। এদের ভয়ে ছোট
ছেলেমেয়েদের বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে অভিভাবকরা আতঙ্কে থাকে--কখন আবার দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়। এদের দাপটে মানুষ আতঙ্কে থাকলেও ভয়ে কেউ মুখ খুলে কথা বলতে সাহস পায়নি।এসব ট্রাক্টর দ্বারা বালি, মাটি ও ইট পরিবহন করা হচ্ছে। এরা বালি নিয়ে চলাচল করার সময় ত্রিপল দিয়ে না ঢাকার কারণে সড়কের পাশে থাকা চায়ের দোকানের লোকজন, পথচারী ও যানবাহনে চলাচলকারী লোকজনের গায়ে ও চোখে মুখে উড়ন্ত বালি গিয়ে পড়ে।
সড়কে ট্রাক্টর চলাচল নিষিদ্ধ থাকলেও
প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় বীরদর্পে এরা সড়কে চলাচল করে আসছে। ঐ মহলটির সাথে রয়েছে তাদের গোপন আঁতাত।
চাঁদপুরের সাবেক পুলিশ সুপার শামসুননাহার মানুষের জানমাল
রক্ষাকল্পে সড়কে ট্রাক্টর চলাচল নিষিদ্ধ করেন। এতে করে সড়কে প্রাণহানির সংখ্যা কমে আসাসহ সড়ক ধ্বংসের হাত থেকে অনেকটা রক্ষা পায়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর হতে সড়কে ট্রাক্টরের দৌরাত্ম্য পূর্বের চেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু এদের বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। প্রশাসন কেবলই নীরবতা পালন করছে। চাঁদপুর জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাঁদপুর সদর উপজেলায় ট্রাক্টর চলাচল করছে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চাঁদপুর সদর উপজেলার ঢালিরঘাট, বাঘড়া বাজার, হরিনা, গাছতলা, পশ্চিম সকদীর ডিএনসি বাজার ও মোল্লা বাজার ছাড়াও উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানসহ যে সকল স্থানে বালি ও ইটের ব্যবসা করা হয়ে থাকে, সে সকল জায়গায় ট্রাক্টর ব্যবহার করে বালি, মাটি ও ইট পরিবহন করা হয়ে থাকে। বাগাদী ইউনিয়নের পশ্চিম সকদীর ডিএনসি বাজার থেকে বালি বেশি পরিবহন করা হচ্ছে নিষিদ্ধ ট্রাক্টর দ্বারা। এরা বালি না ঢেকে চলাচল করতে দেখা যায়।
এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় অনেকে বলেন, এরা প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশে ট্রাক্টর দিয়ে বালি পরিবহন করে থাকে। বালি না ঢেকে নিয়ে যায়। অদক্ষ ও অযোগ্য চালক দিয়ে ট্রাক্টর চালিয়ে আসছে, যারা বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে থাকে। প্রতিদিন ২০/৩০ ট্রাক্টর চলাচল করে এখানে। এসব ট্রাক্টরের কারণে সড়ক নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ ব্যাপারে চাঁদপুরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর ( টিআই) প্রবীর বলেন, গ্রামাঞ্চলে ট্রাক্টর চলাচলের বিষয়টি আমার জানা ছিলো না।এখন যখন জানতে পেরেছি, ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








