প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৩
কুমিল্লায় ৩ দিনব্যাপী জন্মাষ্টমী মহোৎসব
মূল আয়োজন ৪ সেপ্টেম্বর

সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লাতেও যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী, নন্দ উৎসব ও শ্রীল প্রভুপাদের ব্যাস পূজা মহোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৩, ৪ ও ৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার তিন দিনব্যাপী এ মহোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন), কুমিল্লা জগন্নাথপুর শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের মন্দির এবং ঠাকুরপাড়া শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দিরের যৌথ উদ্যোগে এ ধর্মীয় মহোৎসব অনুষ্ঠিত হবে।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জগন্নাথপুর শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের মন্দির প্রাঙ্গণে আরতি, কীর্তন ও শুভ অধিবাসের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সূচনা হবে। ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, জন্মাষ্টমীর প্রধান আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টায় রাণীর বাজার রামঠাকুর আশ্রম থেকে জগন্নাথদেবের মন্দির পর্যন্ত বর্ণাঢ্য র্যালি ও শোভাযাত্রা বের হবে। বিকেল ৩টা থেকে অনুষ্ঠিত হবে ভুবনমঙ্গল হরিনাম সংকীর্তন। এরপর শ্রীশ্রী তুলসী আরতি, গৌর আরতি ও নৃসিংহ আরতি শেষে অনুষ্ঠিত হবে ভাগবতীয় আলোচনা। পরে কীর্তনের সহযোগে অনুষ্ঠিত হবে মহা অভিষেক। অভিষেক শেষে ভক্তদের মাঝে অনুকল্প মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে।
৫ সেপ্টেম্বর শনিবার অনুষ্ঠিত হবে নন্দ উৎসব ও শ্রীল প্রভুপাদের ১৩০তম ব্যাস পূজা মহোৎসব। ভোর সাড়ে ৪টা থেকে মঙ্গল আরতি, জপযজ্ঞ, নন্দ উৎসব, শ্রীল এ.সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের মহা অভিষেক ও ব্যাস পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ভোগ আরতি ও কীর্তন শেষে উৎসবে আগত ভক্ত-শ্রোতাদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে। সবশেষে অনুষ্ঠিত হবে শ্রীল প্রভুপাদ লীলামৃত আলোচনা।
এছাড়া দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে শ্রীল প্রভুপাদ স্মরণ উৎসব ও লীলামৃত আলোচনা। বিকেল সাড়ে ৫টায় ঠাকুরপাড়া শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই মন্দির প্রাঙ্গণে শুরু হবে কীর্তন মেলা। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে সন্ধ্যারতি কীর্তন, নন্দ উৎসবের মহিমা ও প্রভুপাদ লীলামৃত আলোচনা। পরে কেক অর্পণ শেষে ভক্তদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে।
মহোৎসবের প্রতিটি পর্বে সনাতন ধর্মাবলম্বী সকলের উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন কুমিল্লা জগন্নাথপুর মন্দিরের সভাপতি সুদর্শন জগন্নাথ দাস ব্রহ্মচারী।তিনি বলেন, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ভক্তি ও আনন্দের মধ্য দিয়ে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী মহোৎসব উদযাপনের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ মহতী আয়োজনে সকল সনাতনী ধর্মাবলম্বীকে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান তিনি।







