প্রকাশ : ২৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৫
উল্টো রথযাত্রার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হলো ৮ দিনব্যাপী রথযাত্রা উৎসব

|আরো খবর
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই ২০২৬) বিকেলে কালীবাড়ি মন্দির, নতুনবাজার মন্দির, পুরাণবাজার ঘোষপাড়া, হরিসভা এলাকাসহ শহরের প্রধান প্রধান সড়কে উল্টো রথের বিরাট ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় চাঁদপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ, সহ-সভাপতি নরেন্দ্র নারায়ণ চক্রবর্তী, যুগ্ম সম্পাদক গোপাল সাহা, জেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি পরেশ মালাকার, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নেপাল সাহা, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি লক্ষ্মণ চন্দ্র সূত্রধর, সাধারণ সম্পাদক মানিক লাল ঘোষ, চাঁদপুর শহরের শ্রী শ্রী মহাপ্রভু নীলাচল মন্দির (ইসকন) চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি জগদানন্দ পণ্ডিত দাস ব্রহ্মচারী, চাঁদপুর পুরাণবাজার হরিসভা শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দির অধ্যক্ষ বিশাল গোবিন্দ দাস অধিকারী, একই মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. সহদেব দেবনাথসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ১৬ জুলাই ধর্মীয় রীতি ও মহাসমারোহে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের মূল রথযাত্রার সূচনা হয়েছিলো। সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, আটদিন মাসির বাড়িতে অবস্থান ও ভক্তদের সেবাগ্রহণ শেষে উল্টো রথে চড়ে দেবতারা (শ্রী জগন্নাথ, বলরাম ও শুভদ্রা) পুনরায় নিজ মন্দিরে ফিরে আসেন।
উৎসবে ভক্তদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। উল্টো রথযাত্রার শোভাযাত্রায় হাজার হাজার সনাতনী নর-নারী অংশ নেন। ভক্তরা কাঁধে ও হাতে রথের রশি টেনে জগন্নাথ দেবের কৃপা প্রার্থনা করেন। এ সময় হরিনাম সংকীর্তন, উলুধ্বনি এবং ঢাক-ঢোলের শব্দে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
উৎসবটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় নেতৃবৃন্দ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
উল্টো রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে ছিলো কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। স্থানীয় প্রাশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জোরালো উপস্থিতিতে ভক্তরা অত্যন্ত আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে।
সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের রথযাত্রায় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিকের নির্দেশে ট্রাফিক কাজে সহযোগিতা করেছে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীবৃন্দ। বিশেষ করে পৌর ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ।
ডিসিকে/ এমজেডএইচ








