প্রকাশ : ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৭
শহীদ জিয়ার সেই ঐতিহাসিক ভঙ্গিমায় আজ আগামীর কাণ্ডারি তারেক রহমান—একই আদর্শের দুই প্রজন্মের মেলবন্ধন
বাপকা বেটা, সিপাহী কা ঘোড়া: ইতিহাসের এক অনন্য সমান্তরাল প্রতিচ্ছবি

বাপকা বেটা, সিপাহী কা ঘোড়া: ইতিহাসের এক অনন্য সমান্তরাল প্রতিচ্ছবি
|আরো খবর
ইতিহাস কখনো কখনো চিত্রের ফ্রেমে জীবন্ত হয়ে ওঠে। সময়ের ব্যবধান প্রায় পাঁচ দশকের হলেও আদর্শ আর চেতনার মিল যখন রক্তের উত্তরাধিকারকে ছাপিয়ে যায়, তখন তা দেশপ্রেমিক জনতার কাছে এক গভীর আবেগের নাম হয়ে দাঁড়ায়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তাঁর সুযোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমানের এই স্কেচধর্মী ছবিটি কেবল দুই ব্যক্তির অবয়ব নয়; এটি একটি political philosophy বা রাজনৈতিক দর্শনের নিরবচ্ছিন্ন পথচলা।
ছবির বাম পাশে দেখা যাচ্ছে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়ার সেই ঐতিহাসিক অভিব্যক্তি—যা একদা দিগন্তজুড়ে জাগরণের বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছিল। আর সমান্তরালে ডান পাশে ফুটে উঠেছে বর্তমানের জননন্দিত নেতা তারেক রহমানের সেই একই প্রত্যয়ী ভঙ্গি। লোকজ প্রবাদে বলা হয়, বাপকা বেটা, সিপাহী কা ঘোড়া—অর্থাৎ বীরের রক্ত কখনো বৃথা যায় না। এই ছবির প্রেক্ষাপটে প্রবাদটি আজ কেবল একটি বাক্য নয়, বরং এক জীবন্ত বাস্তবতা।
শহীদ জিয়া যেমন ক্ষমতার জৌলুস ছেড়ে গ্রাম-বাংলার মেঠোপথ আর কাদামাটির মানুষের কাছে ছুটে গিয়েছিলেন, তারেক রহমানও তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা আর সহনশীলতা দিয়ে সেই তৃণমূলের আস্থাকে পুনরায় সংহত করেছেন। আজকের রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণে এই ছবিটি কেবল একটি শৈল্পিক স্কেচ নয়; এটি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের এক সাহসী পুনর্জাগরণ। জনমানুষ যখন একজন দৃঢ়চেতা নেতৃত্বের প্রতীক্ষায়, তখন শহীদ জিয়ার আদর্শিক উত্তরাধিকারী হিসেবে তারেক রহমানের এই প্রতিচ্ছবি নতুন এক ভোরের ইঙ্গিত দেয়।
নেতৃত্বের এই ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে যে, দেশপ্রেম আর জনগণের অধিকার আদায়ের লড়াই কখনো ম্লান হয় না। আদর্শের মশাল হয়ে শহীদ জিয়া ইতিহাসের পাতায় অম্লান হয়ে আছেন, আর সেই আলোর শিখা হাতে তারেক রহমান আজ এগিয়ে চলেছেন এক আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নে। পিতা ও পুত্রের এই অভিন্ন লক্ষ্যই আজ কোটি মানুষের প্রাণের স্পন্দন।
সময়ের সাক্ষী হয়ে কলম চলে আগামীর সন্ধানে...








