বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫১

প্রত্যন্ত গ্রামে যখন ক্রিকেট নিয়ে গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট ও প্রিমিয়ার লীগ!

অনলাইন ডেস্ক
প্রত্যন্ত গ্রামে যখন ক্রিকেট নিয়ে গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট ও প্রিমিয়ার লীগ!

জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফরিদগঞ্জের পাইকপাড়া গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের সিজন ৬-এর ফাইনাল খেলা সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি ২০২৬) পাইকপাড়া ইউনিয়নের গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত খেলায় সৌদি প্রবাসী একাদশকে ৫ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় কাতার প্রবাসী স্পোর্টিং ক্লাব। খেলাশেষে টুর্নামেন্টের আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক জুয়েল মজুমদারের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্পিডি গ্রুপের সিইও ও চেয়ারম্যান লায়ন মো. আল আমিন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ক্রীড়া আমাদের যুবসমাজসহ নতুন প্রজন্মকে মাঠমুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আজ ফাইনাল খেলায় এসে বিপুলসংখ্যক দর্শক দেখে আমি অভিভূত। আমি এই এলাকার সন্তান হিসেবে এলাকার যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধমুক্ত রাখতে ক্রীড়ার এই আয়োজনকে সাধুবাদ জানাই। তিনি আরও বলেন, আশা করছি আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। সমাজহিতৈষীরা এগিয়ে এলে গ্রামে গ্রামে এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন সম্ভব হবে। এভাবেই আমাদের সমাজ কাঠামোকে সুদৃঢ় করতে যুবসমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আমি আশা করবো, শুধু ক্রীড়া নয়, এলাকার সমাজব্যবস্থার উন্নয়নে যে কোনো কাজে তারা এগিয়ে আসবে। চাঁদপুর জেলা শহরে মোটামুটি পরিপূর্ণ একটি স্টেডিয়াম আছে, আউটার স্টেডিয়াম আছে, জেলা ক্রীড়া সংস্থা আছে, স্থায়ী আয়ের উৎস আছে, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা আছে, কিন্তু গত ক’বছর ধরে ফরিদগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চল পাইকপাড়ার মতো জমজমাট গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ও শাহরাস্তির প্রত্যন্ত অঞ্চল সূচীপাড়ার মতো এসপিএল (শাহরাস্তি প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগ) নেই। পাইকপাড়া ও সূচীপাড়ায় সরকারি অনুদান নেই। কিন্তু স্থানীয় উদ্যোক্তাদের রয়েছে বিপুল উদ্যম ও অদম্য মানসিকতা। সেজন্যে তারা শহুরে সুযোগ-সুবিধা না পেয়েও গ্রামেই ফুটবল ও ক্রিকেট নিয়ে টুর্নামেন্ট ও লীগ আয়োজন করতে পারছে। অথচ অবকাঠামোগত এবং প্রশিক্ষণ ও অনুশীলনের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও চাঁদপুর জেলা শহরে ফুটবল ও ক্রিকেট নিয়ে জমজমাট আয়োজন নেই। আছে ছিটেফোঁটা আয়োজন, যা দিয়ে মাদকসহ তরুণ-যুবকদের অবক্ষয় রোধ করা যাচ্ছে না, ক্রীড়া-উন্মাদনায় মত্ত করা যাচ্ছে না। এটা এক প্রকার ব্যর্থতা জেলা পর্যায়ের ক্রীড়া সংগঠকদের। এ ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ভাবতে হবে, বিশেষ করে ভাবতে হবে জেলা ক্রীড়া সংস্থার।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়