রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩১

২.১ মিলিয়ন ফলোয়ারের ভালোবাসায় ভাসছেন লক্ষ্মীপুরের ছেলে ও ফ্রান্স নাগরিক সিনথিয়া!

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
২.১ মিলিয়ন ফলোয়ারের ভালোবাসায় ভাসছেন লক্ষ্মীপুরের ছেলে ও ফ্রান্স নাগরিক সিনথিয়া!

ফ্রান্স নাগরিক সিনথিয়া ও তার স্বামী লক্ষ্মীপুরের আরিফুল ইসলাম রাসেল একটি ফেসবুক পেজ চালান। যেখানে তারা সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করছেন। ১ বছর ৯ মাসে ২.১ মিলিয়ন ফলোয়ারের ভালোবাসা পেয়েছেন তারা।

‘আতা গাছে তোতা পাখি, ডালিম গাছে মৌ, জীবন আমার ধন্য হলো, হয়ে বাংলাদেশি বউ’--এমন বার্তা দিয়ে নিজের অনুভূতি জানিয়েছেন বাংলাদেশি পুত্রবধূ ফরাসি নাগরিক সিনথিয়া ইসলাম। ছোটবেলা থেকে মায়ের ভালোবাসা না পাওয়া সিনথিয়া শাশুড়ির ভালোবাসায় মুগ্ধ। এ জন্যেই বারবার ছুটে আসতে চান শ্বশুরবাড়ি লক্ষ্মীপুরে

IMG-20260111-WA0006

জানা গেছে, ২০১৭ সালে খ্রিস্টান ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে লক্ষ্মীপুরের রাসেলের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন সিনথিয়া। তার পূর্বের নাম ছিলো অম। তাদের সংসারে ফুটফুটে দুটি সন্তান রয়েছে। এর মধ্যে মেয়ের নাম আমেনা ইসলাম (৬) ও ছেলে আলিফ ইসলাম (৪)।

সম্প্রতি রাসেল স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বাড়িতে এসেছেনমেঘনা নদী এলাকাসহ লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে ঘুরে গ্রামীণ পরিবেশে আনন্দ উদযাপনের চিত্রও তাদের ফেসবুক পেজে তুলে ধরেছেন। পৃথিবীর বৃহৎ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারও তারা ঘুরে এসেছেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে তারা দেশ ছেড়েছেন

জানা গেছে, ২০১১ সালে রাসেল উচ্চশিক্ষার জন্যে ইংল্যান্ড যান। সেখান থেকে ২০১৩ সালে তিনি ফ্রান্সে চলে যান। সেখানেই সিনথিয়ার সঙ্গে রাসেলের পড়ালেখা এবং পরিচয়। ইংরেজি জানলেও ফ্রান্সের মানুষ ফরাসি ভাষায় কথা বলে।

এতে সম্পর্কে মাঝখানে ভাষা জটিলতায় পড়েন রাসেল। সিনথিয়ার সঙ্গে কথা বলতে হলে তাকে সহযোগিতা নিতে হতো গুগল ট্রান্সলেটের। এভাবেই ১ বছর যায় তার ভাষা জটিলতা থেকে বের হতে। একপর্যায়ে সিনথিয়ারও বাংলা ভাষা শেখার আগ্রহ জাগে।

রাসেল বলেন, আমার মাতৃভূমি বাংলাদেশ। দেশেতে আসতে হবেই। আমার বাচ্চাদের মায়ের দেশ হচ্ছে ফ্রান্স। সেটা ভোলা যাবে না। বাচ্চারা বাংলাদেশি এবং ফরাসিও। দুটিই আমি মানতে চেষ্টা করি।

ফরাসি ভাষায় সিনথিয়া বলেন, বাংলাদেশে পরিবারের বন্ধন, একে অপরের প্রতি ভালোবাসা সবচেয়ে বেশি তাকে আকৃষ্ট করেছে। এদেশের সামাজিকতাকে তিনি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন।

বাংলা ভাষায় কথা বলতে বললে তিনি বলেন, ‘আমার দেশ বাংলাদেশ’। আসলে তিনি মেনে নিয়েছেন যে বাংলাদেশ শুধু তার স্বামীর দেশ নয়, তারও দেশ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়