রবিবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ
  •   চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. সলিম উল্লা সেলিম!

প্রকাশ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১:৫০

এস.আর. ডিজিটাল কালার ল্যাবের মালিক আজমল হোসেন মিরনকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে আদালত

অনলাইন ডেস্ক
এস.আর. ডিজিটাল কালার ল্যাবের মালিক আজমল হোসেন মিরনকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে আদালত

চাঁদপুর শহরের এস.আর. ডিজিটাল কালার ল্যাবের মালিক আজমল হোসেন মিরন গত ৩০ মার্চ ২০২৬ তারিখে চাঁদপুর সদর আমলী আদালতে হাজিরা দিতে গেলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বাদী মো. মুনসুর আলী, পিতা-হাকিম সিকদার, সাং-টুমচর, ডাকঘর-চিঠির হাট, থানা-মুলাদী, জেলা- বরিশাল। বিবাদী : মো. আজমল হোসেন মিরন, পিতা মৃত আজিজ মিয়াজী, মিয়াজী বাড়ি, রঘুনাথপুর, ৫নং ওয়ার্ড, চাঁদপুর পৌরসভা, থানা ও জেলা-চাঁদপুর।

বাদী মুনসুর আলী একজন সরল মানুষ। তিনি চাঁদপুর শহরের কালীবাড়ি শপথ চত্বরে চাঁদপুর টাওয়ারের নিচতলায় হাজী বিরিয়ানী হাউজ নামে দীর্ঘদিন থেকে ব্যবসা করে আসছেন। সে সুবাদে আজমল হোসেন মিরনের সাথে তার পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে তার একটা দোকান আছে জানান। ভূমি অফিস সংলগ্ন সরকারি জমিতে দোকান। জাল জালিয়াতি করে ৩০০ টাকা স্ট্যাম্পের মাধ্যমে এক পর্যায়ে বিবাদী আজমল হোসেন মিরন তার মালিকীয় দখলীয় বলে তফসিল বর্ণিত দোকান বাদী মুনসুরের নিকট ভাড়া দেওয়ার প্রস্তাব করলে ব্যবসায়ী লোকেশন মুক্তিযোদ্ধা সড়কস্থ হকার্স মার্কেটের উত্তর পাশে, ভূমি অফিস সংলগ্ন বাদী ভাড়া নিতে আগ্রহী হয়। উভয়পক্ষের সম্মতিক্রমে প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা হারে ভাড়া নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। জামানত হিসেবে অগ্রিম ২০ লাখ টাকা প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়। ফলে উভয়পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে বিগত ২৬ এপ্রিল-২০২৫ তারিখে বিবাদীর সাথে বাদীর লিখিত ও সম্পাদিত ভাড়াটিয়া চুক্তিনামা হয়। ওই তারিখে বিবাদী আজমল হোসেন মিরন বাদী মুনসুরের নিকট হতে ২০ লাখ টাকা নগদ বুঝে নেয়। গত ৩১ মে ২০২৫ তারিখে দোকান গৃহের দখল বাদীকে বুঝিয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করে। কিন্তু আত্মসাতের অসৎ উদ্দেশ্যে বিবাদী বিভিন্ন টালবাহানা আরম্ভ করে। এক পর্যায়ে বাদী সাক্ষীগণ সহ বিবাদীর নিকট দোকানঘর দখল বুঝে পাওয়ার জন্যে বিগত ৩১ জানুয়ারি-২০২৬ তারিখে দোকান চাইলে বিবাদী আজমল হোসেন মিরন বাদীকে দোকানের দখল বুঝিয়ে দিবে না মর্মে সাফ জানিয়ে দেন। তখন বাদী বিবাদীকে দেওয়া তার ২০ লাখ টাকা ফেরৎ চাইলে বিবাদী বাদীর নিকট থেকে নেওয়া টাকার বিষয় সম্পূর্ণ অস্বীকার করে তাৎক্ষণিক বিবাদী আজমল হোসেন মিরন কয়েকজন সন্ত্রাসীকে নিয়ে বাদীকে মারপিট এবং ভয় দেখিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।

এমতাবস্থায় নিরীহ বাদী মো. মুনসুর আলী কোনো উপায়ন্তর না পেয়ে সুবিচারের প্রত্যাশায় অত্র মোকদ্দমা অত্র আদালতে দায়ের করেন। মামলা নং-সি আর ২০৫/২০২৬, বিজ্ঞ চাঁদপুর সদর আমলী আদালত, চাঁদপুর।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়