প্রকাশ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:২২
বিষ্ণুদীতে জমি মাপার বৈঠকে বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

চাঁদপুর শহরের উত্তর-পশ্চিম বিষ্ণুদী এলাকায় জমি পরিমাপকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এক সালিশি বৈঠকে শামীম মিজি (৫৬) নামে এক বিএনপি নেতার ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত শামীম মিজিকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত শামীম মিজি চাঁদপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির ৪ নম্বর মহল্লা কমিটির সভাপতি। শনিবার (১৭ অক্টোবর ২০২৬) সকালে জমি পরিমাপকে কেন্দ্র করে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
|আরো খবর
ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিষ্ণুদী এলাকায় আল-আমিন গাজীর কাছ থেকে ফরিদ খন্দকারের কেনা একটি জমির পরিমাপ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। চাঁদপুর সদর মডেল থানার মধ্যস্থতায় বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য শনিবার সকালে সার্ভেয়ার, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ারের উপস্থিতিতে জমি মাপার কাজ শুরু হয়। পরিমাপ চলাকালে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হলে বিষয়টি সমাধানের জন্য সালিশি বৈঠক বসে।
অভিযোগ উঠেছে, বৈঠক চলাকালেই প্রতিপক্ষ একই এলাকার মৃত জব্বর খন্দকারের ছেলে মনির খন্দকার (৫০), তার ভাতিজা মানিক খন্দকার, পারভেজ খন্দকার ও মমিন খন্দকারসহ ৮-১০ জন ব্যক্তি শামীম মিজির ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে কাঠের রুয়া, লোহার রড ও জিআই পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে তার হাত, পা, পিঠ ও কোমরসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে তিনি গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন।
আহত শামীম মিজি জানান, হামলার পর তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে প্রতিপক্ষরা তাকে ও তার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে স্থান ত্যাগ করে। পরে স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় তিনি নিজের এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন শামীম মিজি। অন্যদিকে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত মনির খন্দকার বলেন, "আমার আত্মীয়ের জমি সংক্রান্ত বিষয়ে মাপজোখের জন্য আমরা বসেছিলাম। তখন শামীম মিজি সেখানে এসে অসংলগ্ন কথাবার্তা বললে দুপক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা তৈরি হয়।"








