বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:৩৫

পদ্মা-মেঘনায় অভিযান

২ হাজার বর্গমিটার কারেন্ট জাল ও ৩ নৌকা জব্দ।। ১১ জেলের কারাদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার।।
২ হাজার বর্গমিটার কারেন্ট জাল ও ৩ নৌকা জব্দ।। ১১ জেলের কারাদণ্ড

চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকার রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও নৌ পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল ও মাছ ধরার ৩টি নৌকা জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ জাল ব্যবহারের অপরাধে আটক ১১ জন জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও আর্থিক জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক।

এর আগে মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত পদ্মা-মেঘনা নদীর বিভিন্ন নৌ সীমানায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সদর নৌ থানা পুলিশ এবং মৎস্য বিভাগের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, নদীতে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে অসাধু উপায়ে মাছ শিকারের সময় হাতেনাতে ১১ জন জেলেকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছে থাকা প্রায় ২ হাজার বর্গমিটার অবৈধ কারেন্ট জাল এবং ৩টি মাছ ধরার নৌকা বাজেয়াপ্ত করা হয়।

পরে আটককৃতদের বিরুদ্ধে ‘মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন’ অনুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। বিচারিক কার্য পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. বরকত উল্লাহ। তিনি আটক ১১ জনের মধ্যে ৭ জনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। বাকি ৪ জনকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডসহ প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।

সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত নৌকা ও অবৈধ কারেন্ট জাল বর্তমানে নৌ পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। নদীর মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

অভিযানকালে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হক, সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এবং নৌ পুলিশের একাধিক টিম উপস্থিত ছিলেন।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়