প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৪
আজ যাত্রী অধিকার দিবস

আজ ১৩ সেপ্টেম্বর ‘যাত্রী অধিকার দিবস’। পৃথিবীর দেশেদেশে যাত্রী হয়রানি, ভাড়া নৈরাজ্য, পরিবহনে বিশৃঙ্খলা, অরাজকতা, সড়কে দুর্ঘটনা, গণপরিবহনে অন্যায্য ও অগ্রহণযোগ্য কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দাবি আদায়ের প্রতীকী দিবস হিসেবে প্রতিবছর এ দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশে ৮ম বারের মতো আজ এ দিবসটি পালিত হবে। এবার দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য স্থির করা হয়েছে 'যাত্রী অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনী সুরক্ষা ও নিরাপত্তা জরুরি'। দিবসটি উপলক্ষে দেশের যাত্রী অধিকার ও সড়ক নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশসহ পৃথিবীর উন্নয়নশীল দেশের মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি লাঘবে পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য, বিশৃঙ্খলা, যাত্রী হয়রানি ও পথ দুর্ঘটনা বন্ধের মধ্য দিয়ে একটি নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের সামনে আনার প্রতীকী দিবস হিসেবে ২০১৮ সাল থেকে দেশে দিবসটি ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছিল। বাংলাদেশে ২০১৯ সাল থেকে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতিসহ যাত্রী অধিকার ও সড়ক নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিভিন্ন সামাাজিক সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে ১৩ সেপ্টেম্বর ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ পালন করে। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও বৈশ্বিক যুদ্ধবিগ্রহে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি, আইন প্রয়োগে শিথিলতাসহ নানা কারণে দেশে যাত্রী হয়রানি ও ভাড়া নৈরাজ্য দফায় দফায় বাড়ছে। মানুষের যাতায়াতের নিরাপত্তা অনেকখানি কমেছে। পথে পথে ছিনতাই, সড়কে ডাকাতি, দুর্ঘটনাসহ নানা আতংকের মধ্য দিয়ে আমাদের প্রতিদিনের যাতায়াতের পথ পাড়ি দিতে গিয়ে বহু মানুষের জীবন যাচ্ছে। পরিবহনে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা কিছুতেই থামছে না। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরে নানা খাতে ইতিবাচক অগ্রগতি হলেও পরিবহনখাতে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই। পরিবহন মাফিয়ারা এখনো এই খাতের নিয়ন্ত্রক। এসব প্রেক্ষাপটে এবারের 'যাত্রী অধিকার দিবস' অনেক বেশি তাৎপর্য বহন করে।
ডিসিকে /এমজেডএইচ








