প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ১৮:৩০
উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হলো প্যাপিরাস পাঠাগারের একদিনের বইমেল

‘প্রাণের শক্তি বাড়ায় বই, বই পড়ে মানুষ হই’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্যাপিরাস পাঠাগারের একক উদ্যোগে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো একদিনের বইমেলা। শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) চাঁদপুর শহরের জে এম সেনগুপ্ত রোডের চাঁদ টাওয়ারস্থিত পাঠাগার কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
বিকেল সাড়ে ৩টায় ফিতা কেটে বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক কবি আইরিন সুলতানা লিমা। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে সবার আগে বইয়ের প্রতি অনুরাগী হতে হবে। বই পাঠের অভ্যাস ও শিক্ষার আলো ছাড়া কোনো জাতি বেশি দূর এগোতে পারে না।”
বইমেলার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন ‘ইয়ূথ ফোরাম বাংলাদেশ’-এর কো-অর্ডিনেটর অ্যাডভোকেট আলেয়া বেগম লাকী এবং ‘বিজয়ী’র প্রতিষ্ঠাতা তানিয়া ইশতিয়াক খান।
এ ছাড়া শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন পাঠাগারের উপ-সভাপতি ফেরারী প্রিন্স, নাট্যজন ও সাংবাদিক মোহাম্মদ আলমগীর, ভাসানী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংঘের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম রাজিব এবং ব্যবসায়ী মনির হোসেন খান। অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বইমেলার সদস্য সচিব মিজানুর রহমান স্বপন।
সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি বলেন, “মানুষকে বই পাঠে উৎসাহিত করতেই আমাদের এই উদ্যোগ। তরুণদের মধ্যে বইয়ের প্রতি ভালোবাসা তৈরি হলে তারা সামাজিক অপরাধ ও অন্যায় কাজ থেকে দূরে থাকবে। দেশকে সমৃদ্ধ করতে হলে শিক্ষাব্যবস্থাকে উন্নত করার বিকল্প নেই। কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠনে নিয়মিত বই পড়া এবং এ ধরনের বইমেলার আয়োজন করা এখন সময়ের দাবি।”
মেলা আয়োজনের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “অল্প সময়ের প্রস্তুতিতে এবারের আয়োজনটি করতে হয়েছে। হাতে আরও সময় থাকলে হয়তো আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা যেত। তবে আমাদের চেষ্টা থাকবে প্রতি বছরই এই মেলার ধারা বজায় রাখার।”
মেলায় পাঠক-পাঠিকা ও বইপ্রেমীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে নারী পাঠকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ মেলাপ্রাঙ্গণে বাড়তি উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করে।








