প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ১৭:৪৮
ফরিদগঞ্জের খাজুরিয়ায় প্রবাসীর বাড়িতে চুরি

প্রবাসে থাকা ভাসুরকে পাঠানোর জন্যে এনজিও থেকে টাকা তুলে ঘরে রাখেন দু সন্তানের জননী নাজমা বেগম। বিকেলে মায়ের জরুরি ডাকে ঘরে তালা মেরে বাপের বাড়ি যান। পরদিন সকালে বাড়ি এসে দেখেন, ঘরের দরজায় তালা নেই, ভেতরের সবকিছু এলোমেলো। আলমিরাও খোলা। ঘর খালি থাকার সুযোগে বসতঘরের তালা ভেঙ্গে চোর চক্র প্রবেশ করে ঘরে থাকা নগদ এক লাখ ৫০ হাজার টাকাসহ ৫ লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। ফরিদগঞ্জ উপজেলার গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নের খাজুরিয়া গ্রামে রোববার (৩ মে ২০২৬) রাতে ওই গ্রামের বাহরাইন প্রবাসী রাসেলের ঘরে এ ঘটনা ঘটে। ওই এলাকায় একের পর এক চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি স্থানীয়দের। এ ব্যাপারে সোমবার (৪ মে ২০২৬) বিকেলে ফরিদগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
প্রবাসী রাসেলের স্ত্রী নাজমা বেগম বলেন, রোববার স্থানীয় আমিরাবাজার ব্র্যাক ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে আমার বাড়িতে রেখেছি। মায়ের জরুরি ডাকে বাবার বাড়ি পার্শ্ববর্তী উত্তর বিষুরবন্দ গ্রামে গিয়েছি বিকেলে। সোমবার সকালে স্বামীর বাড়িতে এসে দেখি দরজার তালা নেই, বসতঘরে সকল আসবাবপত্র তছনছ অবস্থায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। খোঁজ নিয়ে দেখি, আমার ঘরে থাকা নগদ এক লাখ ৫০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার কিছুই নেই। এর আগেও আমাদের বাড়িতে চুরি ও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ইমরান হোসেন মুন্সি ও গোলাম কিবরিয়াসহ আরো কয়েকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের এলাকায় বেশ ক'বার ডাকাতি ও চুরির ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু ডাকাত ও চোর চক্রকে আইনের আওতায় আনতে আমরা এখনো দেখিনি। মানুষের মূল্যবান জিনিসপত্র খোয়া যাচ্ছে, কিন্তু বিচার পাচ্ছে না। একের পর এক ডাকাতি ও চুরির ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, চুরির ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলমান রয়েছে, অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।








