প্রকাশ : ০৮ মার্চ ২০২৬, ১৬:৫৯
ওয়্যারলেস বাজারের অবৈধ ইজারার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা
তিন প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিস

চাঁদপুর পৌর এলাকার ওয়্যারলেস বাজারের অবৈধ ইজারার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন জায়গার মালিকগণ।
|আরো খবর
এ নিয়ে আদালত ১৫ দিনের সময় নির্ধারণ করে তিন প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিস প্রদান করেছে।
জানা যায়, জমির মালিক জহিরুল ইসলাম গং তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে বসা ওয়্যারলেস বাজারের অবৈধ ইজারার বিরুদ্ধে চাঁদপুরের আদালতে মামলা দায়ের করেন। অবৈধভাবে বাজার ইজারা নিয়ে একটি পক্ষ নিরীহ ব্যবসায়ীদের নিকট হতে 'যা ইচ্ছা তাই' টাকা আদায় করে নেয়। এ নিয়ে ক্ষোভ বিরাজ করলেও ভয়ে কেউ মুখ খুলে কথা বলতে সাহস পায়নি। কিন্তু এ বাজারটি ব্যক্তি মালিকানাধীন সম্পত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। এখানে সরকারিভাবে কোনো জায়গা নেই। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের লোকজন প্রভাব বিস্তার করে বাজার ইজারা নিয়ে তাদের লোকজন এখনো খাজনা আদায় করে আসছে। অথচ যাদের জায়গা ও দোকান তাদেরকেও খাজনা দিতে হয়। সড়কের ওপর ফুটপাতে বসা পসরা থেকেও টাকা আদায় করে আসছে ইজারাদার।
বাজার ইজারা বন্ধে জহিরুল ইসলাম গং বাদী হয়ে ২০২৫ সালে আদালতে নিষেধাজ্ঞা মামলা দায়ের করেন। সে আলোকে আদালত ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জেলা প্রশাসক চাঁদপুর, চাঁদপুর পৌরসভার প্রশাসক ও চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর নিষেধাজ্ঞার জন্যে কারণ দর্শানোর নোটিস প্রদান করে। এমনকি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মামলার আসামীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্যে নির্দেশ প্রদান করে। আদালতের নিষেধাজ্ঞার কপি ৪ মার্চ ২০২৬ জেলা প্রশাসক, চাঁদপুর পৌরসভা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে রিসিভ করা হয়। এ বাজার ইজারাকে কেন্দ্র করে যে কোনো সময় রক্তক্ষয়ীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে জমির মালিকগণ
বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর হতে ইজারাদার কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত টাকা যে আদায় করে আসছে, এখনও করছে।
প্রকৃতপক্ষে ওয়্যারলেস বাজারটি ব্যক্তি মালিকানাধীন সম্পত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু বাজার ইজারাদার পৌর কর্তৃপক্ষ থেকে বাজার ইজারা নিয়ে নিজেদের মন মতো খাজনা আদায় করছে। পূর্বে আমরা এ বাজার ইজারা নিয়ে স্থানীয় মসজিদে আয়ের টাকা দিয়ে দিতাম। কিন্তু এখন আদায়কৃত অধিক খাজনার টাকা ইজারাদার তার পকেট ভারি করে নিয়ে যাচ্ছে। বাজারের পুরো সম্পত্তি আমাদের ব্যক্তি মালিকানাধীন। এখানে সরকারি কোনো সম্পত্তি নেই। বাজার ইজারা নিয়ে যে কোনো সময় রক্তপাতের ঘটনা ঘটতে পারে। এ বাজারের ইজারা বন্ধে আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।








