রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫১

মেঘনা এক্সপ্রেস কি দুর্দশার রাহুগ্রাস থেকে মুক্তি পাবে না?

অনলাইন ডেস্ক
মেঘনা এক্সপ্রেস কি দুর্দশার রাহুগ্রাস থেকে মুক্তি পাবে না?

চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনটি লাকসাম জংশনে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে লাকসাম জংশনে পৌঁছানোর পর এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনটি চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসার পর লাকসাম রেলওয়ে জংশন স্টেশনে ট্রেনটির ইঞ্জিন ট্রেনের এক মাথা থেকে অন্য মাথায় এনে বগির সঙ্গে সংযুক্ত করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে একটি বগির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ওই বগিটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্ঘটনার ফলে ট্রেনটির নির্ধারিত সময়সূচি বিপর্যস্ত হয়। মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনটি রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টায় চাঁদপুর বড় স্টেশনে পৌঁছানোর কথা থাকলেও দুর্ঘটনার কারণে নির্ধারিত সময়ে চাঁদপুরে পৌঁছাতে পারেনি। তবে রাত ১টার পর চাঁদপুর পৌঁছে।

মেঘনা এক্সপ্রেস সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমে সংবাদের উল্লেখযোগ্য উপজীব্যে পরিণত হয়েছে। দুর্দশা থেকে চাঁদপুর-চট্টগ্রাম রূটে চলাচলকারী একমাত্র আন্তঃনগর ট্রেন মেঘনা এক্সপ্রেস মুক্তিই পাচ্ছে না। দুর্দশার রাহুগ্রাস থেকে ট্রেনটিকে যেনো উদ্ধার করা যাচ্ছে না। একটি লাভজনক ও জনপ্রিয় ট্রেনের প্রতি রেল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা বড়ো দুঃখজনক। রেলওয়ের যে বিভাগ থেকে কোনো ট্রেনের জন্যে ইঞ্জিন বরাদ্দ দেয়া হয়, তারা চাঁদপুর-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী পাবলিক সেক্টরে ইজারা দেয়া মেইল ট্রেন সাগরিকা এক্সপ্রেসকে যতোটা ভালো ইঞ্জিন বরাদ্দ দেয়, একই রুটে চলাচলকারী মেঘনা আন্তঃনগরের জন্যে সে রকম ইঞ্জিন বরাদ্দ দেয় না, এমনকি ভালো ড্রাইভারও দেয় না। যার ফলে মেঘনা আন্তঃনগরের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়াসহ ছোট-বড় দুর্ঘটনা প্রায়শই ঘটছে।

শুক্রবার রাতে লাকসামে যে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি অদক্ষ ড্রাইভারের কারণে যে ঘটেছে, সেটা একেবারে স্পষ্ট। সেজন্যে এ ড্রাইভার শাস্তির মুখোমুখি হবেন নিশ্চয়। কিন্তু এর পেছনে অন্যান্য যারা কোনো না কোনোভাবে দায়ী, তারা কি শাস্তির মুখোমুখি হবে? সেরকম তদন্ত কি হবে?

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়