প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০০:৪৬
ভেঙ্গে পড়ছে চাঁদপুর সেতুর নাম ফলক
বেগম খালেদা জিয়ার নাম কি মুছে যাবে?

|আরো খবর
জানা যায়, ফেরিতে যানবাহন পারাপার করতে গিয়ে ভোগান্তি, চাঁদপুর শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণে আনা ও দক্ষিণাঞ্চলে সহজে যাতায়াত করার জন্যে চাঁদপুর সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতু নির্মাণের পর সহজে ফরিদগঞ্জের বাইরে নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুরসহ দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষ চাঁদপুর এসে সড়ক, নৌপথ ও রেলপথে ঢাকা-চট্টগ্রাম, বরিশালসহ বিভিন্ন জেলায় সহজে যাতায়াত করতে পারছে।
চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের গাছতলায় ডাকাতিয়া নদীর ওপর চাঁদপুর সেতুর অবস্থান।
তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া (বর্তমানে মরহুম) চাঁদপুর-রায়পুর-বেগমগঞ্জ সড়কে ডাকাতিয়া নদীর ওপর ২০০৫ সালের ১৪ মার্চ (৩ চৈত্র ১৪১১ বঙ্গাব্দ) সেতুটি উদ্বোধন করেন।
সেতুটি ২৪ ঘন্টাই যানবাহন চলাচলে ব্যস্ত থাকে। সন্ধ্যার পরে বিনোদনের জন্যে বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষজন চলে আসে সেতুর ওপর নদীর হাওয়া উপভোগে এবং অবসর সময় কাটাতে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর উত্তর পাড়ে সেতু উদ্বোধনের নাম ফলক ভেঙ্গে পড়ে যাচ্ছে। কেউ তা মেরামত করতে এগিয়ে আসছে না। যে কোনো সময় নামফলক ভেঙ্গে পড়ে বেগম খালেদা জিয়ার নাম মুছে যেতে পারে।
দীর্ঘ ২০ বছরেও এ নামফলকের সংস্কার তো দূরের কথা, সামান্য একটু সিমেন্ট দিয়েও মনে হয় মেরামত করা হয়নি। সড়ক ও জনপথ বিভাগ বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর নামফলক অযত্ন-অবহেলায় ভেঙ্গে যাওয়া কতোটুকু যুক্তিযুক্ত তা ভেবে দেখার বিষয়।
সিএনজি অটোরিকশার জনৈক যাত্রী বলেন, আমাদের গর্ব প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামফলক ভেঙ্গে পড়ে যাচ্ছে, সেদিকে কেউ নজর দেয় না।
নেতা কর্মীদের কি নজরে পড়ে না নামফলকটি?
এ ব্যাপারে বাগাদী ইউনিয়নের বাসিন্দারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চাঁদপুর সেতুর উদ্বোধক আমাদের নেত্রী, দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামফলক ভেঙ্গে পড়ে যাচ্ছে।
নামফলক মেরামত বা সংস্কার করার জন্যে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এগিয়ে আসা প্রয়োজন। দীর্ঘ ২০ বছর অযত্ন-অবহেলায় নামফলকটি রয়েছে।
নামফলক দ্রুত সংস্কার করা জরুরি। এভাবে আমাদের নেত্রীর নামফলক মুছে যেতে পারে না।
জনস্বার্থে সেতু নির্মাণ করে দিয়েছেন আমাদের নেত্রী। সেজন্যে নেত্রীর নাম আজীবন থাকবে।
ডিসিকে/এমজেডএইচ







