প্রকাশ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৩০
রেস্টুরেন্টের ফ্রিজে ইলিশ সংরক্ষণসহ নানা অনিয়ম
৪ প্রতিষ্ঠানকে ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা

রেস্টুরেন্টের ফ্রিজে ইলিশ মাছ সংরক্ষণ, বাসি খাবার বিক্রি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুতসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে চারটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
শনিবার (১৭ অক্টোবর ২০২৬) চাঁদপুর শহরের ওয়্যারলেস বাজার ও বাবুরহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানকালে কাজী হোটেল থেকে জব্দ করা ১২ কেজি ৬০০ গ্রাম ইলিশ মাছ স্থানীয় তিনটি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরানের নেতৃত্বে এ তদারকি অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, সরকারঘোষিত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রেস্টুরেন্টের ফ্রিজে ইলিশ মাছ সংরক্ষণ ও বিক্রি, বাসি খাবার রাখা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের দায় কাজী হোটেলকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ক্ষতিকর রাসায়নিক স্প্রে ব্যবহার করে কলা পাকানোর অপরাধে ব্যবসায়ী মো. হারুনকে ৫ হাজার টাকা, লাইসেন্স ছাড়া পশুখাদ্য ও ওষুধ বিক্রির দায়ে চাঁদপুর ভেটেরিনারি ফার্মেসিকে ৫ হাজার টাকা এবং মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করায় হাসান এন্টারপ্রাইজকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী চারটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আদায় করা মোট ৩৩ হাজার টাকা তাৎক্ষণিকভাবে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হয়। কাজী হোটেল কর্তৃপক্ষ জরিমানার অর্থ পরিশোধ করে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম না করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।
অভিযান চলাকালে অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
এ অভিযানে চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জসিম উদ্দিন, মৎস্য জরিপ কর্মকর্তা মোসা. ফারহানা আকতার রুমা এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর একটি প্রতিনিধিদল সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
ভোক্তাস্বার্থ সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং বাজার ব্যবস্থার অনিয়ম প্রতিরোধে এ ধরনের তদারকি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।








