প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯:২৭
হরিণা নৌ-ফাঁড়িতে পোড়ানো হয়েছে ৬৭ হাজার বর্গমিটার নিষিদ্ধ জাল

চাঁদপুরের হরিণা নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে বিচারিক আদালতের নির্দেশে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জালসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাছ ধরার জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
|আরো খবর
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে হরিণা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি প্রাঙ্গণে এই জাল ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ বর্ধন ও আব্দুল মান্নান। তাঁদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে জব্দকৃত জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
নৌ-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে হরিণা পুলিশ ফাঁড়ি, নীলকমল নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি, চাঁদপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি ও চাঁদপুর সদর থানার আওতাধীন বিভিন্ন ফাঁড়ি পুলিশ বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালনা করে এসব জাল জব্দ করে। পরে সংশ্লিষ্ট আদালতে ৪৩টি পৃথক মৎস্য মামলা দায়ের করা হয়।
জব্দকৃত জালের মধ্যে ছিলো নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল, চাঁই, চায়না জালসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাছ ধরার সরঞ্জাম। সব মিলিয়ে মোট জালের পরিমাণ ছিলো ৬৬ হাজার ৮০৫ বর্গমিটার, যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৭৫০ টাকা।
নৌ-পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, অবৈধ জাল ব্যবহার করে নির্বিচারে মাছ শিকারের ফলে নদীতে মাছের প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে। তাই নিয়মিত অভিযান চালিয়ে এসব নিষিদ্ধ জাল জব্দ করা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশে তা ধ্বংস করা হচ্ছে।
ক্যাপশন : চাঁদপুরের হরিণা নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে বিচারিক আদালতের নির্দেশে
সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ বর্ধন ও আব্দুল মান্নানের উপস্থিতিতে
প্রায় ৬৭ হাজার বর্গমিটার নিষিদ্ধ জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।







