শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫০

ভুল স্বীকার করা, সাহসিকতা বনাম মহত্ব

অনলাইন ডেস্ক
ভুল স্বীকার করা, সাহসিকতা বনাম মহত্ব

রাশেদা আতিক রোজী

ভুল মানুষের জীবনের একটি স্বাভাবিক অংশ। কিন্তু ভুল স্বীকার করাটা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না। এর জন্য প্রয়োজন হয় প্রচণ্ড মানসিক শক্তি এবং সততা। প্রচলিত একটি ধারণা আছে যে, ভুল স্বীকার করলে মানুষ ছোট হয়ে যায়। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ উল্টো। ভুল স্বীকার করা দুর্বলতা নয়, বরং এটি চরম সাহসিকতা এবং মহত্ত্বের লক্ষণ।

যখন একজন প্রধান শিক্ষক কোনো ভুল সিদ্ধান্ত বা ভুল বোঝাবুঝির পর উদারচিত্তে তা স্বীকার করেন, তখন সহকারী শিক্ষকদের চোখে তাঁর মর্যাদা বহুগুণ বেড়ে যায়। শিক্ষকরা অনুভব করেন যে, তাঁদের প্রধান একজন ন্যায়পরায়ণ এবং মানবিক গুণসম্পন্ন ব্যক্তি, যিনি পদের অহংকারে অন্ধ নন। একইভাবে, একজন সহকারী শিক্ষক যখন তাঁর কোনো গাফিলতি বা ভুলের জন্য প্রধান শিক্ষকের কাছে দুখ প্রকাশ করেন, তখন প্রধান শিক্ষকও তাঁর প্রতি আরও বেশি সহানুভূতিশীল এবং যত্নবান হন। ভুল স্বীকার করার মাধ্যমে মূলত অহংকারের দেয়াল ভেঙে পড়ে এবং পারস্পরিক বিশ্বাসের নতুন পথ উন্মোচিত হয়।

আমাদের জীবনে চারপাশের মানুষগুলোর কাছ থেকে আমরা যেমন ভালোবাসা, সুস্থ সম্পর্ক আর মানসিক শান্তি আশা করি; ঠিক তেমনি আমাদেরও কি দায়িত্ব নয় অন্যের জীবনে সেই শান্তি বজায় রাখা? আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো একেকটি ছোট পরিবারের মতো, গড়ে ৫ থেকে ৭ জন শিক্ষক নিয়ে আমাদের এই পথচলা। প্রতিদিনের ক্লাস, অফিশিয়াল কাজ আর নানা ব্যস্ততার মাঝে আমরা সহকর্মীদের কাছ থেকেও ঠিক একই রকম সম্মান ও শান্তি আশা করি। কিন্তু বিনিময়ে আমরা নিজেরাও কি সেই পরিবেশ বজায় রাখছি?

আসুন আজ একটু থমকে দাঁড়িয়ে নিজের মনের দিকে তাকাই। আমরা নিজেরা অজান্তেই আমাদের স্টাফরুমের বা সহকর্মীদের জীবনের “অশান্তির কারণ” হয়ে উঠছি না তো? দেশের ৬৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পৌনে ৪ লাখ শিক্ষকের এই বিশাল পরিবারের অংশ হিসেবে, আসুন নিজের সাথে একটু মিলিয়ে নিই:

ভুল স্বীকারে অনীহা

সহকর্মীর সাথে কোনো ভুল বোঝাবুঝি বা অফিশিয়াল কাজে নিজের কোনো অনুচিত আচরণের জন্য কি আমরা মন থেকে আন্তরিকভাবে ‘দুখপ্রকাশ’ করতে পারি? নাকি অহংকার আর অজুহাত দিয়ে সেটাকে আড়াল করি?

উদাহরণ-নিজের ভুলটা দেখেও সরাসরি স্বীকার না করে রেগে যাওয়া এবং বলা— “আপনার হাতের লেখাই তো বোঝা যায় না, আমি কী করব?” বা “আপনারা তো শুধু ভুল ধরতেই আছেন, এত খাতা একা টানতে গিয়ে মাথা ঠিক থাকে?”

সব দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো বিদ্যালয়ের যেকোনো সমস্যা বা টানাপোড়েনে, কিংবা কোনো কাজের ত্রুটিতে সবসময় সামনের সহকর্মীটাকেই দোষী বানাই না তো? নিজের দায়টুকু কি আমরা এড়াতে চাই?

উদাহরণ-প্রধান শিক্ষক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষককে একা দোষী বানিয়ে আড়ালে বলা, “উনি তো কোনো কাজই ঠিকমতো গুছিয়ে রাখতে পারেন না, ওনার জন্যই আজ স্কুলের এই বদনাম হলো।” নিজের অবহেলার অংশটুকু স্বীকার না করা।

আঘাত করার প্রবণতা

আমাদের আচরণ, গলার স্বর বা কথাবার্তা দিয়ে কি আমরা কোনো সহকর্মীকে কোনোভাবে আঘাত (মানসিক বা আচরণগত) করছি? বিশেষ করে জুনিয়র বা সিনিয়র শিক্ষকদের সাথে কথা বলার সময় কি আমরা যত্নশীল?

উদাহরণ-স্টাফরুমে সবার সামনে অন্যকে খোঁচা দিয়ে বলা, “আজকালকার নতুন শিক্ষকেরা যে কী পরীক্ষা দিয়ে পাস করে আসে বুঝি না! একটা কাজও ঠিকমতো পারে না।”

অহেতুক অশান্তি তৈরি স্টাফরুমের সুশৃঙ্খল পরিবেশে আমরা কি কোনো কারণ ছাড়াই বারবার দলাদলি, পরনিন্দা বা ঝামেলার সৃষ্টি করছি?

উদাহরণ-কোনো একজন শিক্ষক ক্লাসে বা ছুটিতে থাকার সুযোগে ওনার অনুপস্থিতিতে ওনার ব্যক্তিগত জীবন, বদলি বা কাজের ধরন নিয়ে বাকি ৩-৪ জন মিলে সমালোচনা বা কানাকানি করা, যা পরে স্টাফরুমের ভেতরের বিশ্বাস ও শান্তি পুরোপুরি নষ্ট করে দেয়।

দায়িত্ব এড়ানো বিদ্যালয়ের রুটিন, খাতা দেখা, অফিশিয়াল কাজ কিংবা কোনো অনুষ্ঠানের ভালো-মন্দ ফলাফলের দায়িত্ব কি আমরা এড়িয়ে চলি? অন্যের ওপর কাজ চাপিয়ে নিজে কি দায়মুক্ত হতে চাই?

উদাহরণ-আমার শরীরটা ভালো লাগছে না” বা “আমি এসব সাজানোর কাজ ভালো পারি না” বলে সকাল সকাল কেটে পড়া। ফলে বাকি ২-৩ জন শিক্ষকের ওপর পুরো স্কুলের কাজের পাহাড় ভেঙে পড়ে।

কাউকে ছোট করা

আমাদের কথা বা ঠাট্টা-তামাশা কি কোনো সহকর্মীকে নিচু দেখায় বা তার নিজের চোখে তাকেই ছোট করে ফেলে?

উদাহরণ-অন্যের কোন সীমাবদ্ধতা নিয়ে স্টাফরুমে অন্য শিক্ষকদের সামনে হাসাহাসি করা বা ঠাট্টা করা। এমনকি ওনার সামনেই এমন মন্তব্য করা যা ওনার আত্মবিশ্বাস ধুলোয় মিশিয়ে দেয়।

ভুল করা মানুষের স্বভাব —এই চিরন্তন সত্যটি সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুদের ক্ষেত্রে। শিশু যখন প্রথম হাঁটতে শেখে, সে কিন্তু প্রথমবারেই সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না; বারবার আছাড় খায়, পড়ে যায় এবং একসময় ঠিকই ভারসাম্য পেয়ে যায়। শ্রেণিকক্ষের শিখন প্রক্রিয়াটিও ঠিক একই রকম। বিখ্যাত মনোবিজ্ঞানী এডওয়ার্ড থর্নডাইক তাঁর “প্রচেষ্টা ও ভুল সংশোধন মতবাদ” -এ দেখিয়েছেন যে, বারবার ভুল করতে করতেই জীব একসময় সঠিক আচরণ বা উত্তরটি বেছে নেয়।

অথচ আমাদের প্রচলিত শিক্ষাবেষ্টনীতে অনেক সময়ই শিক্ষার্থীর ভুলকে অপরাধ বা ব্যর্থতা হিসেবে দেখা হয়। একজন আদর্শ শিক্ষকের দায়িত্ব হলো এই দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেওয়া। নিচে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে বিশ্লেষণ করা হলো কীভাবে শিক্ষকেরা শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর ভুলকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে শিখনকে স্থায়ী করতে পারেন।

ভুলকে স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত মনে করা

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা একদম নতুন একটি জগতের সাথে পরিচিত হয়। তাই তারা শুরুতেই সব ঠিক করবে—এমনটা আশা করা অবাস্তব। শিক্ষক মনে-প্রাণে বিশ্বাস করবেন যে, ভুল করাটাই শিশুর শেখার প্রথম ধাপ।# উদাহরণ -প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণির শিশুকে যখন যোগ বা বিয়োগ শেখানো হয়, তখন তারা প্রায়ই সংখ্যার স্থান উল্টে ফেলে। যেমন: ২৫ + ৭ যোগ করতে দিলে অনেক শিশু এককের ঘরের নিচে ৭ না লিখে, দশকের ঘরের ২ এর নিচে ৭ লিখে বসে থাকে।

শিক্ষকের ভূমিকা ও থর্নডাইকের তত্ত্ব

শিক্ষক এই ভুল দেখে মোটেও অবাক বা বিরক্ত হবেন না। থর্নডাইকের মতে, উদ্দীপকের বিপরীতে সঠিক উত্তর আসার আগে ভুল প্রচেষ্টা আসবেই। শিক্ষক হাসিমুখে বলবেন, “কোনো সমস্যা নেই, আমরা তো শিখতেই এসেছি!” শিক্ষকের এই সহজ মনোভাব শিশুদের মনের ভয় দূর করে, ফলে তারা পরের বার নতুন কোনো অঙ্ক করতে ভয় পায় না।

ভুল করাকে সম্মান জানানো ও উৎসাহিত করা

ভুল উত্তরের জন্য কোনো শিশুকে ক্লাসের সামনে লজ্জিত বা বকাঝকা করা যাবে না। ভুল উত্তরের পেছনের যে ‘প্রচেষ্টা’ বা সাহস, শিক্ষককে সেই সাহসের প্রশংসা করতে হবে।

উদাহরণ-তৃতীয় বা চতুর্থ শ্রেণির ‘আমার বাংলা বই’): যুক্তবর্ণ বা কঠিন শব্দের উচ্চারণের সময় শিশুরা প্রায়ই ভুল করে। যেমন: ‘অঙ্ক’ শব্দটিকে অনেকে ‘অনক’ বলে, কিংবা ‘বিজ্ঞান’ শব্দটিকে ‘বিগ্গান’ উচ্চারণ করে। অনেক সময় ক্লাসের অন্য বাচ্চারা এটা শুনে হেসে ওঠে।

শিক্ষকের ভূমিকা ও থর্নডাইকের তত্ত্ব

শিক্ষক প্রথমেই অন্য বাচ্চাদের হাসতে বারণ করবেন এবং ভুল বলা শিশুটিকে বলবেন, “তুমি যে উঠে দাঁড়িয়ে এত বড় একটা শব্দ পড়ার চেষ্টা করেছ, তার জন্য একটা হাততালি!” থর্নডাইকের “ফলাফলের সূত্র” বলে, শিশুর মনে যদি কাজের পর আনন্দ বা সন্তুষ্টি আসে, তবে তার শেখার আগ্রহ বাড়ে। শিক্ষক যখন তার ভুল প্রচেষ্টাকে সম্মান জানান, তখন শিশুটি অপমানিত বোধ না করে পরের বার আরও মনোযোগ দিয়ে চেষ্টা করার প্রেরণা পায়।

ভুলের কারণ গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা

শিক্ষক কেবল ‘ভুল হয়েছে’ বলে লাল কালি দিয়ে খাতা কেটে দেবেন না। তিনি বোঝার চেষ্টা করবেন শিশুটি ঠিক কোন জায়গাটিতে ভুল করছে।

উদাহরণ-গণিত ক্লাসে একটি শিশুকে ৫২ থেকে ২৪ বিয়োগ করতে দেওয়া হলো। শিশুটি উত্তর লিখল ৩৮। সে আসলে কী করেছে? উপরের ছোট ২ থেকে নিচের ৪ বিয়োগ করা যায় না দেখে, সে উল্টো নিচের ৪ থেকে ২ বিয়োগ করে ২ নামিয়ে দিয়েছে। আর দশকের ঘরে যে ১ ধার নিতে হয়, সেটা সে একদম ভুলেই গেছে।

শিক্ষকের ভূমিকা

শিক্ষক এখানে খাতায় বড় একটা ক্রস চিহ্ন দিয়ে খাতাটি ফেলে রাখবেন না। তিনি শিশুটিকে আদর করে কাছে ডাকবেন এবং বলবেন, “সোনা, তুমি এই বিয়োগটা কীভাবে করলে আমাকে একটু বুঝিয়ে বলো তো?” তখন শিশুটি যখন মুখে মুখে বলবে সে কীভাবে করেছে, শিক্ষক তখন তার ভুলের আসল কারণটি ধরতে পারবেন।

থর্নডাইকের তত্ত্বের সাথে মিল: থর্নডাইক বলেছেন, ভুলগুলো কেন হচ্ছে তা না জানলে সঠিকটা শেখা যায় না। শিক্ষক যখন শিশুর সাথে বসে ভুলটি নিয়ে কথা বলবেন, তখন শিশুটি নিজেই নিজের ভুল চিন্তাটি বুঝতে পারবে এবং ভুল নিয়মটি মন থেকে বাদ দিয়ে সঠিক নিয়মটি শিখতে পারবে।

শিশুকে দিয়েই ভুল সংশোধন করানো

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো ভুলটি সংশোধন করা। তবে শিক্ষক নিজে সরাসরি উত্তর বলে দেবেন না, বরং শিশুকে সঠিক উত্তরটি খুঁজে পেতে সাহায্য বা গাইড করবেন।

উদাহরণ- পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের “উদ্ভিদ ও প্রাণীর পারস্পরিক নির্ভরশীলতা” পড়ানোর সময় শিক্ষক জিজ্ঞেস করলেন, “উদ্ভিদ বাতাস থেকে কী গ্রহণ করে?” একটি শিশু ভুল করে উত্তর দিল, “অক্সিজেন।”

শিক্ষকের ভূমিকা ও থর্নডাইকের তত্ত্ব

শিক্ষক সরাসরি ‘না’ না বলে তাকে একটু সংকেত দেবেন: “আমরা শ্বাস নেওয়ার সময় কোনটা নিই আর কোনটা ছাড়ি বলতো? আচ্ছা, আমরা যেটা ছেড়ে দিই, গাছ কি সেটাই নেয় না?” তখন শিশুটি নিজে থেকেই ভেবে বলবে, “ওহ! কার্বন ডাই-অক্সাইড!” থর্নডাইকের ‘অনুশীলনের সূত্র’ অনুযায়ী, সঠিক উত্তরটি যত বেশি চর্চা হবে, শিখন তত মজবুত হবে। নিজের ভুল নিজে সংশোধন করার মাধ্যমে শিশুর বুদ্ধিমত্তা ও আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং এই পড়া সে আর সহজে ভোলে না।

সহজ কথায় বলতে গেলে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাসরুম কোনো রোবট তৈরির জায়গা নয়। সেখানে শিশুরা আসবে, খেলবে, ভুল করবে এবং সেই ভুলের মাধ্যমেই নতুন কিছু শিখবে। থর্নডাইকের তত্ত্ব আমাদের এটাই মনে করিয়ে দেয় যে, ভুল করাটা কোনো অপরাধ বা পাপ নয়, বরং এটা শেখার একটা স্বাভাবিক নিয়ম। একজন শিক্ষক যখন ক্লাসে শিশুদের ভুলকে বকাঝকা না করে সহজভাবে গ্রহণ করবেন, তাদের আদর ও বুঝিয়ে সঠিক পথ দেখাবেন, তখনই শিশুরা পড়ালেখাকে ভয় না পেয়ে ভালোবেসে ফেলবে। শিক্ষকের এই ইতিবাচক ভূমিকাই শিশুদের আসল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

দিনশেষে, আমরা শিক্ষকেরা যদি নিজেদের মাঝে শান্তি আর সম্মান বজায় রাখতে না পারি, তবে আমাদের শিক্ষার্থীদের আমরা কীভাবে সুন্দর মানুষ হওয়ার শিক্ষা দেব? পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের মতো আমাদের সহকর্মীরাও ভালোবাসা, সম্মান আর মানসিক শান্তি পাওয়ার যোগ্য। আমাদের নিজেদেরও খেয়াল রাখা উচিত যেন আমাদের কারণে কোনো সহকর্মীর সেই শান্তিটুকু নষ্ট না হয়, তিনি যেন বিদ্যালয়ে আসতে মানসিক চাপ অনুভব না করেন।

অন্যদের কাছ থেকে যেমন সুন্দর ব্যবহার আশা করি, আসুন নিজেদের স্টাফরুমে নিজেরাও ঠিক তেমনটাই হয়ে উঠি। নিজেকে একটু শোধরাই, আমাদের প্রিয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চারপাশটা সুন্দর আর আনন্দময় করি।

রাশেদা আতিক রোজী : ইন্সট্রাক্টর, উপজেলা প্রাইমারি এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টার ( ইউপিইটিসি) সদর, চাঁদপুর।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়