প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০২:২৭
জেলা শিল্পকলায় ‘গানে গানে জুলাই’: সুরের মূর্ছনায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে স্মরণ

গানে গানে জুলাই
|আরো খবর
২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার জুলাই অভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা, বীর শহীদদের আত্মত্যাগ এবং নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নকে সুরের মূর্ছনায় তুলে ধরতে চাঁদপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান ‘গানে গানে জুলাই’। সোমবার (৩ আগস্ট ২০২৬) সন্ধ্যায় চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এই মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান। এ সময় তিনি জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে আলোকপাত করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. এরশাদ উদ্দিন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোশারফ হোসেন, রফিক আহমেদ মিন্টু, লেখক ও সংগঠক লিটন ভূঁইয়া, সাংবাদিক ফারুক আহম্মদ, সাহিত্য একাডেমি, চাঁদপুর-এর মহাপরিচালক কাদের পলাশ এবং জাসাস চাঁদপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক মোবারক সিকদারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিলো জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ও দেশপ্রেমের গান। চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমির কণ্ঠশিল্পীবৃন্দ সম্মিলিত কণ্ঠে কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী ও জাগরণী গান ‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু’ পরিবেশন করেন।
এরপর একক সংগীত পরিবেশনায় অংশ নেন একঝাঁক শিল্পী। তাঁদের কণ্ঠে উঠে আসে দেশপ্রেম ও বিপ্লবের সুর --দীপা সাহা (‘আয়রে বাঙালি আয় সেজে আয়’), প্রিয়ন্তী রক্ষিত (‘একতারা তুই দেশের কথা), সুভদ্রা চক্রবর্তী (‘ভেবো না গো মা’), তুলি রায় (‘বারে বারে আমি আসি ফিরে যেন’), শ্রাবণ দাস (‘চোখের জলে কোন দিন’), অনিরুদ্ধ গোস্বামী (‘আমি খুঁজে বেড়াই আমার মাকে’), প্রশিক্ষা সরকার (‘এই বাংলার মাটিতে’), সানজিদা আলম (‘প্রতিদিন তোমায় দেখি’), কৃষ্ণকলি দেবনাথ (‘সাঁঝের বেলায় পাখি যেন’), মধুরিমা আচার্যী (‘সবার উপরে মানুষ সত্য’), দীপা রায় (‘মাগো ধন্য হলো জীবন আমার’) ও স্বজন সাহা (‘বোমা বারুদের প্রতিরোধ’)।
অনুষ্ঠানের বিশেষ চমক হিসেবে জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান স্বয়ং ‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে’ কালজয়ী গানটি পরিবেশন করেন। জুলাই মাসের সেই উত্তাল দিনগুলোকে সুর ও বাণীর মাধ্যমে স্মরণ করার এই ব্যতিক্রমী আয়োজন দর্শকদের দারুণভাবে আপ্লুত করে।
ডিসিকে /এমজেডএইচ








