রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ১৩ জুন ২০২৬, ২২:৩৮

হাজীগঞ্জে বৃদ্ধের লাশ পাওয়া আবাসিক হোটেল বন্ধ করে দিলো প্রশাসন

কামরুজ্জামান টুটুল
হাজীগঞ্জে বৃদ্ধের লাশ পাওয়া আবাসিক হোটেল বন্ধ করে দিলো প্রশাসন

হাজীগঞ্জ বাজারের হলুদ পট্টির মাতৃমায়া আবাসিক হোটেল থেকে ইলিয়াস কাজী (৬০) নামে এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় হোটেলটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন ২০২৬) দুপুরের পর হোটেলের একটি কক্ষ থেকে বৃদ্ধের লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্যে ২৫০ শয্যার চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহত ইলিয়াস কাজী ফরিদগঞ্জ উপজেলার ঘনিয়া গ্রামের কাজী বাড়ির বাসিন্দা। ঘটনার আগের দিন শুক্রবার তিনি হোটেলের একটি কক্ষে ভাড়ায় উঠেন বলে হোটেল সূত্রে জানা গেছে।

হোটেল কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১২ জুন ২০২৬) সন্ধ্যায় তিনি একা হোটেলের একটি কক্ষ ভাড়া নেন। সে সময় তাকে কিছুটা বিধ্বস্ত দেখা গেছে। শনিবার দুপুরের মধ্যে সেই রুমের দরজা না খোলায় দরজার ফাঁক দিয়ে তাকে বিছানায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়া হয়। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

হোটেলের ম্যানেজার রায়হান জানান, কক্ষ ভাড়া নেয়ার সময় এই লোক অসুস্থ ছিলেন।

হোটেল মালিক ফারুক হোসেন লিটন জানান, তিনি হোটেলে প্রবেশের সময় স্বাভাবিক অবস্থায় ছিলেন এবং পরে বিষপান করে আত্মহত্যা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

হলুদ পট্টির একাধিক ব্যবসায়ী জানান, অতীতেও হোটেলটিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্যে পাঠিয়েছি। নিহত ব্যক্তির পরিবার এসেছে। তারা মামলা করলে আমরা মামলা নেবো। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সেটি ময়না তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে। অপর এক প্রশ্নে তিনি জানান, হোটেলটি বন্ধ রাখা হয়েছে।

হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবনে আল জায়েদ হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে মাতৃমায়া আবাসিক হোটেলটি বন্ধ রাখা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়