প্রকাশ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:২৫
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ)
যখন বিএনপির নাম শুনলেই পুলিশ মারতো, তখনই আমি দায়িত্ব নিয়ে ছিলাম, সেই আমাকেই দল বঞ্চিত করলো
.............. এম এ হান্নান

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, সদ্য দল থেকে বহিষ্কৃত এম এ হান্নান বলেছেন, যখন বিএনপির নাম শুনলেই পুলিশ পাছায় পিটাতো, রাতের বেলায় কেউ বাড়ি থাকতে পারতো না, মামলা হামলায় জর্জরিত ছিলো নেতাকর্মীরা, তখন দল আমাকে ফরিদগঞ্জের দায়িত্ব প্রদান করলে আমি নিজে দায়িত্ব নিয়ে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও দলকে সুসংগঠিত করেছি। উপজেলা থেকে ওয়ার্ড পর্যন্ত বিএনপিসহ সকল অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় শক্তিশালী হয়েছে। দল করতে গিয়ে কুমিল্লায় মাটিতে শুয়েছি, ঢাকায় রাস্তায় ভিজেছি। তিন মাস জেল খেটেছি। জনমত জরিপে যোজন যোজন এগিয়ে ছিলাম। অথচ দল আমাকেই বঞ্চিত করলো। এতে ফরিদগঞ্জের বিএনপির নেতাকর্মীদের হৃদয় ভেঙ্গে দিলো। এর দায় কি আমার? দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর আমাকে একপ্রকার বাধ্য করা হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার জন্য। একইভাবে বাধ্য করেছেন সাধারণ জনগণ ও বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী। তাই চিংড়ি আমার একার মার্কা নয়, চিংড়ি আমার আপনাদের সকলের মার্কা। পদহারা বিএনপির নেতাকর্মীদের ভরসার প্রতীক চিংড়িকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিজয়ী করে আপনারা প্রমাণ করে দিন, দল ভুল করলেও আপনারা ভুল করেননি।
|আরো খবর
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাতে ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার ৬নং ওয়ার্ডের সাফুয়া গ্রামে অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথাগুলো বলেন।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সফিউল বাশার মুকুল পাটওয়ারী, সাবেক পৌর মেয়র মঞ্জিল হোসেন, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমানত গাজী, পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি ইমাম হোসেন পাটওয়ারী, বিএনপি নেতা আজিজ মোল্লা, সাবেক প্যানেল মেয়র জাকির হোসেন গাজী, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল গাজী প্রমুখ।







