প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫
‘সাব্বু আলী’: ইতিহাসের একটি বেদনাদায়ক অধ্যায়!

উমাইয়া যুগে হযরত আলী (রা.)-কে প্রকাশ্যে নিন্দা এবং খলিফা উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.)-এর তা বন্ধ করার ঐতিহাসিক উদ্যোগ : ইসলামের ইতিহাসে সাহাবায়ে কেরাম ও আহলে বাইতে রাসুল (সা.) -এর মর্যাদা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসে তাঁদের মর্যাদা ও অধিকার সম্পর্কে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। একই সঙ্গে ইসলামের ইতিহাসে এমন কিছু রাজনৈতিক অধ্যায়ও রয়েছে, যা মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং শিক্ষণীয়।
এর মধ্যে অন্যতম হলো—উমাইয়া শাসনামলে উমাইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা মুয়াবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান মসজিদের খুতবা ও জনসমক্ষে হযরত আলী ইবনে আবি তালিব (রা.)-কে নিন্দা বা গালমন্দ করার রেওয়াজ চালু করেন। যা ৪১ হিজরি-৯৯ হিজরি অর্থাৎ ছয় দশক পর্যন্ত বলবৎ ছিলো।
ইতিহাসের বিভিন্ন প্রাচীন সূত্রে এ ঘটনাকে আরবি পরিভাষায় “সাব্বু আলী”—অর্থাৎ ‘আলী (রা.)-কে গালমন্দ/নিন্দা করা’—হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সহিহ হাদিসের আলোকে হযরত আলী (রা.)-এর মর্যাদা: হযরত আলী (রা.) ছিলেন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর চাচাতো ভাই, জামাতা এবং আহলে বাইতের অন্যতম প্রধান সদস্য। তাঁর মর্যাদা সম্পর্কে সহিহ হাদিসে একাধিক সুস্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে।
সহিহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) হযরত আলী (রা.)-কে বলেছিলেন—তুমি আমার কাছে সেই মর্যাদায় আছো, যে মর্যাদায় মূসা (আ.)-এর কাছে হারুন (আ.) ছিলেন; তবে আমার পরে কোনো নবী নেই। একই বর্ণনায় খায়বারের দিনে তাঁর হাতে পতাকা দেওয়া এবং মুবাহালার ঘটনার সময় আলী, ফাতিমা, হাসান ও হুসাইন (রা.)-কে নিজের আহলে বাইত হিসেবে কাছে নেওয়ার কথাও এসেছে।
অতএব, হযরত আলী (রা.)-এর মতো একজন মহান সাহাবি ও আহলে বাইতের সদস্যকে গালমন্দ বা অবমাননা করা ইসলামের আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
‘সাব্বু আলী’-এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট : হযরত উসমান ইবনে আফফান (রা.)-এর শাহাদাতের পর মুসলিম সমাজে যে গভীর রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়, তারই ধারাবাহিকতায় হযরত আলী (রা.) ও মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (রা.)-এর মধ্যে সংঘাত এবং সিফফিনের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। ৬৫৭ খ্রিষ্টাব্দ/৩৭ হিজরির সিফফিনের সংঘর্ষ মুসলিম সমাজের রাজনৈতিক বিভাজনকে আরও গভীর করে। পরবর্তীতে ৪০ হিজরি/৬৬১ খ্রিষ্টাব্দে হযরত আলী (রা.) কুফার মসজিদে খারিজি ইবনে মুলজামের আঘাতে শাহাদাতবরণ করেন। হযরত আলী (রা.)-এর শাহাদাতের পর ৪১ হিজরিতে হযরত হাসান ইবনে আলী (রা.)-এর সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে মুয়াবিয়া (রা.) একক রাজনৈতিক কর্তৃত্ব লাভ করেন এবং উমাইয়া শাসনের নতুন পর্যায় শুরু হয়।
সহিহ মুসলিমের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য : এ বিষয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক দলিলগুলোর একটি হলো সহিহ মুসলিমের হাদিস। আমির ইবনে সা‘দ তাঁর পিতা সা‘দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন—মুয়াবিয়া (রা.) সা‘দ (রা.)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন: “কী কারণে তুমি আবু তুরাবকে (আলীকে) গালি দাও না?”
সা‘দ (রা.) উত্তরে হযরত আলী (রা.)-এর তিনটি বিশেষ মর্যাদার কথা স্মরণ করিয়ে দেন, যা তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছ থেকে শুনেছিলেন। এরপর তিনি বলেন, এই মর্যাদাগুলোর একটি যদি তাঁর নিজের জন্যও অর্জিত হতো, তবে তা তাঁর কাছে লাল উটের চেয়েও প্রিয় হতো। এই হাদিসের ভাষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি অন্তত এতটুকু ঐতিহাসিক সত্যের প্রমাণ দেয় যে, মুয়াবিয়া (রা.)-এর সঙ্গে সা‘দ (রা.)-এর এমন একটি কথোপকথন হয়েছিল যেখানে আলী (রা.)-কে “সাব্ব” করার প্রসঙ্গ উত্থাপিত হয়েছিল। তবে এই একটি হাদিস থেকেই সমগ্র উমাইয়া সাম্রাজ্যে সর্বত্র একই রাষ্ট্রীয় নীতি কার্যকর ছিল—এমন বিস্তৃত সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে অন্যান্য ঐতিহাসিক বর্ণনাও বিবেচনা করা প্রয়োজন।
উমাইয়া আমলে খুতবায় আলী (রা.)-এর নিন্দা : প্রাচীন মুসলিম ইতিহাসগ্রন্থে উমাইয়া শাসনামলের বিভিন্ন সময়ে হযরত আলী (রা.)-কে প্রকাশ্যে নিন্দা করার বর্ণনা পাওয়া যায়। আল-তাবারি, ইবনুল আসির, ইবনে কাসির এবং পরবর্তী ঐতিহাসিকদের রচনায় এ বিষয়ে বিভিন্ন বিবরণ সংরক্ষিত হয়েছে। এসব বর্ণনার মধ্যে কিছু নির্দিষ্ট রাবির মাধ্যমে এসেছে এবং সব বর্ণনার হাদিস-শাস্ত্রীয় মান এক নয়। তাই এগুলোকে “ইতিহাসগ্রন্থে বর্ণিত” হিসেবে উপস্থাপন করাই অধিক সতর্ক ও গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি। বিশেষত কুফার গভর্নর মুগিরা ইবনে শু‘বার সময়কার বর্ণনায় আলী (রা.)-এর সমালোচনা এবং উসমান (রা.)-এর প্রশংসার কথা এসেছে। আধুনিক গবেষণাতেও মুয়াবিয়ার শাসনামলে কুফায় আলী (রা.)-এর বিরুদ্ধে প্রকাশ্য নিন্দার প্রচলনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ঐতিহাসিক সূত্রে মূলতঃ হযরত আলী (রা.)-কে কেন্দ্র করেই অধিক সুস্পষ্ট বর্ণনা পাওয়া যায়।
প্রায় ছয় দশক পর পরিবর্তনের সূচনা : উমাইয়া শাসনামলে এ ধরনের প্রকাশ্য নিন্দার প্রচলন কতদিন স্থায়ী ছিল—এ বিষয়ে ইতিহাসবিদদের বর্ণনায় কিছু পার্থক্য রয়েছে। তবে ৪১ হিজরি থেকে ৯৯ হিজরি পর্যন্ত সময়কাল প্রায় ৫৮ চান্দ্র বছর, অর্থাৎ মোটামুটি ছয় দশকের কাছাকাছি। ৯৯ হিজরি/৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.) খলিফা হলে তিনি এই প্রথা বন্ধ করার উদ্যোগ নেন। ঐতিহাসিক সূত্রে উল্লেখ রয়েছে যে তিনি বিভিন্ন প্রদেশের গভর্নর ও কর্মকর্তাদের কাছে নির্দেশ পাঠিয়ে আলী (রা.)-এর বিরুদ্ধে এ ধরনের নিন্দা বন্ধ করেন। এটি তাঁর শাসনামলের অন্যতম প্রশংসনীয় সংস্কার হিসেবে পরবর্তী ইতিহাসগ্রন্থগুলোতে উল্লেখিত হয়েছে। সূরা নাহলের ৯০ নম্বর আয়াত
ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.) খুতবার শেষে প্রচলিত নিন্দার পরিবর্তে পবিত্র কুরআনের সূরা আন-নাহলের ৯০ নম্বর আয়াত পাঠের নির্দেশ দেন:
অর্থ: “নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়বিচার, সদাচরণ এবং আত্মীয়স্বজনকে দান করার নির্দেশ দেন; আর অশ্লীলতা, অসৎকর্ম ও সীমালঙ্ঘন থেকে নিষেধ করেন। তিনি তোমাদের উপদেশ দেন, যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।”
— সূরা আন-নাহল, ১৬:৯০। ঐতিহাসিক সূত্রে বলা হয়েছে, আলী (রা.)-এর বিরুদ্ধে প্রচলিত নিন্দার পরিবর্তে এই আয়াত খুতবার শেষে পাঠের রীতি চালু করা হয় এবং পরবর্তীকালে এটি জুমার খুতবার সঙ্গে ব্যাপকভাবে প্রচলিত হয়ে যায়। ঈমানের শীর্ষচূড়া, “শেরে খোদা হযরত আলী” হতে “মাওলা আলী”(রা.)। আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় বান্দা। আলীউন ওয়ালি উল্লাহ, আলীউন হুজ্জাত উল্লাহ।
সুরা মায়েদাহ আয়াত নং-৬৭ ও নবীজির গাদীরে খুমের সমাবেশ একই সুত্রে গাঁথা। উক্ত সমাবেশে নবীজি মহান আল্লাহর ইচ্ছায় সকল সাহাবী এবং উম্মতের উদ্দেশ্যে ঘোষণা দিলেনঃ “মান কুনতু মাওলা ফা’হাযা আলীউন মাওলা”। সহীহ্ হাদিস।
মাওলা আলী (রা.)-এর যে বিশেষ উচ্চ মর্যাদা : রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, হে আলী (রা.)! তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে মূসা (আ.) এর নিকট হারুন (আ.) যেমন, আমার নিকট তুমিও তেমন। পার্থক্য শুধু এই টুকু হারূন (আঃ) নবী ছিলেন আর আমার পরে নবী নেই। - বুখারী ৩৭০৬, মুসলিম ৩৪০৪ /১-২, তিরমিযী ৩৭৩১, আহমাদ ১৪৬৬, ১৪৯৩, ১৫০৮, ১৫১২, ১৫৩৫, ১৫৫০, ১৫৮৭, ১৬০৩, ১৬১১, ইবনু মাজাহ ১২১, (ই.ফা. ৬০০৩, ই.সে. ৬০৪২), সহিহ মুসলিম সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) ৬১১৫, (ই.ফা. ৬০০২, ই.সে. ৬০৪১), সহিহ মুসলিম সাহাবা (রাযিঃ)-গণের ফযীলত (মর্যাদা) ৬১১৪,জামে’ আত তিরমিজি রাসূলুল্লাহ (সা.) ও তাঁর সাহাবীগণের মর্যাদা ৩৭২৪, সহীহ মুসলিম (হাঃ ৭/১২০), ইবনু মাজাহ ১১৫, সহীহাহ ৪/৩৩৫।
ইতিহাস থেকে আমাদের শিক্ষা : ইতিহাসের এই অধ্যায়কে কেবল কোনো ব্যক্তি বা বংশের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়। বরং এর মধ্যে মুসলিম উম্মাহর জন্য রয়েছে গভীর শিক্ষা। ক্ষমতার দ্বন্দ্ব যখন ধর্মীয় ভাষা ও মসজিদের মিম্বরকে রাজনৈতিক বিরোধিতার হাতিয়ারে পরিণত করে, তখন তার পরিণতি অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে। হযরত আলী (রা.)-এর মর্যাদা সহিহ হাদিসে সুপ্রতিষ্ঠিত। তাঁর বিরুদ্ধে গালমন্দ বা বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য কোনোভাবেই একজন মুসলমানের আদর্শ হতে পারে না। একই সঙ্গে সাহাবায়ে কেরামের পারস্পরিক রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আজকের মুসলমানদের মধ্যে নতুন করে বিদ্বেষ, গালাগালি বা তাকফিরের সংস্কৃতি তৈরি করাও ইসলামের শিক্ষা নয়। আমাদের কর্তব্য হলো—সত্য ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া, আহলে বাইতের প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান রাখা, সাহাবায়ে কেরামের মর্যাদা রক্ষা করা এবং পারস্পরিক বিদ্বেষের পরিবর্তে ন্যায়, সত্য, শিষ্টাচার ও উম্মাহর ঐক্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া।
পবিত্র কুরআন আমাদের শিক্ষা দিয়েছে: “কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্বেষ যেন তোমাদেরকে ন্যায়বিচার থেকে বিরত না রাখে। ন্যায়বিচার করো; এটাই তাকওয়ার অধিক নিকটবর্তী।” — সূরা আল-মায়িদাহ, ৫:৮
সুতরাং আজও যদি কোনো বক্তা, আলেম বা ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মিম্বর কিংবা বক্তব্যের মঞ্চকে ব্যবহার করে সাহাবা, আহলে বাইত বা অন্য কোনো মুসলিমের বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা, কুৎসা বা বিদ্বেষ ছড়ান, তবে আমাদের উচিত গালাগালির জবাব গালাগালি দিয়ে না দেওয়া; বরং কুরআন-সুন্নাহর আদব, প্রমাণিত ইতিহাস এবং উত্তম ভাষার মাধ্যমে সত্যকে তুলে ধরা। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে সত্য ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার, সাহাবায়ে কেরাম ও আহলে বাইতের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের এবং বিদ্বেষ ও ফিতনা থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।
তথ্যসূত্র ও পাঠ-সহায়িকা : ১. সহিহ মুসলিম, কিতাবু ফাদায়িলিস সাহাবাহ, হাদিস ২৪০৪ফ—সা‘দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.)-এর সঙ্গে মুয়াবিয়া (রা.)-এর কথোপকথন এবং আলী (রা.)-এর ফজিলত।
২. আল-তাবারি, তারিখুর রাসুল ওয়াল মুলুক (তারিখ আল-তাবারি)—উমাইয়া যুগের রাজনৈতিক ঘটনা ও মুগিরা ইবনে শু‘বার সময়কার বর্ণনাসমূহ।
৩. ইবনুল আসির, আল-কামিল ফিত তারিখ—উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.)-এর সময় আলী (রা.)-এর বিরুদ্ধে প্রচলিত নিন্দা বন্ধের বিবরণ।
৪. ইবনে কাসির, আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া—উমাইয়া যুগ ও উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.)-এর সংস্কারসংক্রান্ত ঐতিহাসিক বিবরণ।
৫. জালালুদ্দিন আস-সুয়ূতি, তারিখুল খুলাফা—উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.)-এর নির্দেশে আলী (রা.)-এর বিরুদ্ধে নিন্দা বন্ধ এবং সূরা নাহল ১৬:৯০ পাঠের ঐতিহাসিক বর্ণনা।
৬. অহফৎবি গধৎংযধস, ঞযব টসধুুধফ ঊসঢ়রৎব, ঊফরহনঁৎময টহরাবৎংরঃু চৎবংং—মুয়াবিয়ার শাসনামলে কুফায় আলী (রা.)-এর বিরুদ্ধে প্রকাশ্য নিন্দার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের আধুনিক গবেষণা।
লেখক পরিচিতি: আলহাজ্ব মোঃ নুর ইসলাম খান অসি
প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি: বাইতুন নূর জামে মসজিদ ও ঈদগাহ্ কমপ্লেক্স।
সাবেক পরিচালক (অপারেশন), ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। মোবাইল: ০১৭১১ ৫৮৫৮৭৫







