প্রকাশ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:০১
কচুয়ার ৫শ' বছরের পুরানো ঐতিহাসিক পালগিরি জামে মসজিদ

কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের পালগিরি গ্রামের পালগিরি বেগম রাবেয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও থানা বিবি দিঘি সংলগ্ন পালগিরি ঐতিহাসিক জামে মসজিদ। ১৬১৬ সালে খন্দকার বাড়ির খন্দকার হযরত মাওলানা শাহসুফী আলী বদ্দিন খন্দকার ঝোপ পরিষ্কার করার সময় গম্বুজ আকৃতির কিছু দেখতে পেলে তিনি তা পরিষ্কার করলে মাটির নিচে এ মসজিদের সন্ধান পান। প্রথমে গম্বুজ, পরে মাটি খনন করলে মসজিদটি ভেসে উঠে। তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতায় ঐতিহাসিক এ মসজিদটি পুনঃনির্মাণ করে নামাজ আদায় করার উপযোগী করে তোলেন। যেখানে ১০/১৫ জন মুসল্লি একসাথে নামাজ আদায় করতে পারতো। স্থানীয়রা জানান, মানত বা নিয়ত করে মসজিদে নগদ অর্থ প্রদান করলে মনোবাসনা পূর্ণ হয়। তাই সাধারণ জনগণ এই মসজিদে মানতের টাকা দেয় বা মিলাদ পড়িয়ে থাকেন। ধারণা করা হয়, এটি মোগল আমলের নির্মিত একটি মসজিদ। প্রাকৃতিক যে কোনো কারণেই হোক এ মসজিদটি বহু বছর মাটির নিচে ছিলো। বহু বছর পূর্বে যখন জনমানব কম ছিলো, ওই সময় মসজিদটি নির্মাণ করা হয়ে থাকতে পারে। যা মোগল সভ্যতার নিদর্শন বহন করে। এ মসজিদটিকে ঘিরে আরো অনেক অজানা তথ্য রয়েছে।
|আরো খবর
মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের সুবিধার্থে পালগিরি পাটওয়ারী বাড়ির সৈয়দ আহমদ পাটোয়ারী মসজিদের নামে ২০ শতক সম্পত্তি ওয়াকফ করে দেন। পরবর্তীতে মূল মসজিদটির অবকাঠামো ঠিক রেখে মসজিদের দু পাশে ও পেছনের অংশ পাকা করা হয়। সেখানেই বহু বছর নামাজ আদায় করতো মুসল্লিগণ। মুসল্লিদের নামাজের সুবিধার্থে ২০২২ সালে পাটোয়ারী বাড়ির মৃত আজিজুর রহমানের তিন ছেলে হুমায়ুন কবির, বিল্লাল হোসেন ও মাহবুবুর রহমান মসজিদটির উত্তর পাশে নতুনভাবে একটি ভবন করে মসজিদের নামাজ আদায়ের জায়গা আরো প্রশস্ত করে দেন। ফলে এখন একসাথে বহু মানুষ নামাজ আদায় করতে পারে।
মসজিদ কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খন্দকার ও সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন পাটোয়ারীসহ স্থানীয়রা প্রাচীনতম ঐতিহাসিক পালগিরি পুরানো মসজিদটির সংস্কার করে সংরক্ষণ করতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
ডিসিকে /এমজেডএইচ






