প্রকাশ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৭
মাওলানা সাদুল্যা খানের ইন্তেকালে শোক

চঁাদপুর প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি, দৈনিক চঁাদপুর কণ্ঠের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, চঁাদপুর সেন্ট্রাল রোটারী ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক মেঘনা বার্তার সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক আমার দেশের চঁাদপুর জেলা প্রতিনিধি গিয়াস উদ্দিন মিলনের বাবা, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আলহাজ্ব মাওলানা সাদুল্যা খান ইন্তেকাল করেছেন। তিনি বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুর সাড়ে ১২ বারোটায় বার্ধক্যজনিত কারণে চঁাদপুরে মেয়ের বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তঁার বয়স হয়েছিলো ৯০ বছর। তিনি দু ছেলে ও পঁাচ মেয়ে সহ বহু আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। মরহুমের নামাজে জানাজা বুধবার রাত সাড়ে আটটায় তঁার গ্রাম চঁাদপুর সদর উপজেলার শাহতলী এলাকার পাটওয়ারী বাড়ি জামে মসজিদের সামনে বাদ এশা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তঁাকে দাফন করা হয়।
আলহাজ্ব মাওলানা সাদুল্যা খান চঁাদপুর শহরের আক্কাছ আলী রেলওয়ে সরকারি ও গুয়াখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। তিনি শাহতলী কামিল মাদ্রাসা থেকে টাইটেল পাস করেন। তারপর মুন্সিগঞ্জে কিছুদিন চাকুরির পর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন মসজিদে খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তঁার জীবনে মর্মান্তিক ও বিয়োগান্তক বিষয় ছিলো তঁার স্ত্রী ও এক পুত্রের অকাল মৃত্যু। বুকে শোকের পাথর বেঁধেই যেন কাটছিলো তঁার অবসর জীবন। তবুও ৭ সন্তানের খেঁাজখবরে ও বাড়ির নিকটে থাকা সন্তানদের আন্তরিক পরিচর্যায় তঁার জীবন সায়াহ্নের দিনগুলোতে তিনি শোক ভুলে যাওয়া ও স্বস্তি খেঁাজার চেষ্টা করেছেন। মাওলানা সাদুল্যা খান ব্যক্তি জীবনে অত্যন্ত সৎ, ধৈর্যশীল, মিশুক এবং বিনয়ী মানুষ ছিলেন। সে কারণে ছিলেন সর্বজনশ্রদ্ধেয়। তঁার জানাজার প্রাক্কালে তঁার ছাত্র, শুভাকাঙ্ক্ষী ও এলাকার সুধীজন যে শোক-অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন, তাতে তঁাকে একজন পুণ্যবান মানুষ হিসেবেই মনে হয়েছে। তিনি পরপারের অনন্ত যাত্রায় জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ স্থানে অধিষ্ঠিত হবেন বলে আমরা মনে করি। তঁার মৃত্যুতে চঁাদপুর কণ্ঠ পরিবার গভীর শোক প্রকাশ করছে, শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে এবং মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছে।







