প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০২৬, ১০:২১
চার দশকে সাহিত্য একাডেমি

সাহিত্য হলো জীবন বাস্তবতার রূপায়ন। সভ্যতা বিনির্মাণের নিয়ামক হলো সাহিত্য। শিশু থেকে বৃদ্ধ, ধনী থেকে দরিদ্র, সুখী অথবা দুঃখী, সুস্থ অথবা অসুস্থ, সাদা মনের মানুষ কিংবা দস্যু, সবুজবীথি বা মরুভূমি, নদী সরোবর বা মহাসাগর, নীল আকাশ বা পাহাড় ভূমি, পশু-পাখি ইত্যাদি সৃষ্টির যত লীলাখেলা সবই সাহিত্যে স্থান করে নিয়েছে নানান ভঙ্গিতে শব্দ ব্যঞ্জনায়। শব্দ গাঁথুনির এই কর্ম যজ্ঞ শাণিত করতে চার দশক ধরে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমি। সাহিত্য একাডেমির ৪০ বছরপূর্তি চাঁদপুর জেলাবাসী তথা সাহিত্য প্রেমীদের নিকট আনন্দের। যারা এমন একটি সৃজনশীল প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পরিকল্পনা করেছিলেন, পরিশ্রম করে সাহিত্য একাডেমি বাস্তবে রূপ দিয়েছেন তাঁদের শ্রদ্ধা জানাই।
শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক মেধা বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমি সৃজনশীল মেধা বিকাশের দ্বার উন্মুক্ত রেখেছে অহর্ণিশ। এখানে অবগাহন করেই তৈরি হয়েছে দেশের সমকালীন প্রতিভাবান কবি লেখক। যাঁরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। চাঁদপুরের গুণী এসব কবি, প্রাবন্ধিক, গল্পকার, গবেষক এবং ভ্রমণলেখকদের নাম লিখতে গেলে লেখা অনেক বড় হয়ে যাবে। শুধু চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির ৪০ বছরপূর্তিতে তাঁদের উত্তরোত্তর উন্নতি কামনা করছি।
সাহিত্য একাডেমির এই দীর্ঘ চলার পথ সবসময় মসৃণ ছিল না। শিল্প-সাহিত্যের এই অঙ্গনটিকে যাঁরা গতিশীল করতে চাঁদপুর জেলা প্রশাসনসহ সাহিত্যপ্রেমীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।






