প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ২০:০৩
লোধেরগাঁও হাফিজিয়া মাদ্রাসার তিন ছাত্রকে প্রহারে ইউএনও বরাবর অভিযোগ

চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের মধ্য লোধেরগাঁও রহমানিয়া হাফিজিয়া নূরানী মাদ্রাসার তিন ছাত্রকে বেত্রাঘাতে প্রহারের অভিযোগ উঠেছে এ মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে চাঁদপুর সদর ইউএনও ও এ মাদ্রাসার সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মাদ্রাসাটির একজন সহকারী শিক্ষক।
|আরো খবর
মাদ্রাসায় গিয়ে ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (রোববার) সন্ধ্যায় বৃষ্টি থামার পর এ মাদ্রাসার ছাত্ররা মাদ্রাসার পাশেই আম কুড়াতে বের হয়। এ সময় মাদ্রাসার মোতওয়াল্লী সহ আশেপাশের লোকজন কোনো দুর্ঘটনা বা বিপদ হতে পারে ভেবে বকাবকি করে ছাত্রদেরকে মাদ্রাসায় পাঠিয়ে দেয়। এছাড়া এলাকার ক'জন শিক্ষককেও কিছু কথা বলে। পরে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফেজ মো. মিলন ছাত্র ফাহাদ, সিহাব ও রবিউলকে বেত্রাঘাত করেন, যাতে ছাত্রদের পিঠে বেতের দাগ পড়ে। এ ঘটনায় সোমবার (২৭ এপ্রিল ২০২৬) এ মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আবদুল আউয়াল ছাত্রদেরকে নিয়ে সদর ইউএনও বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন।
প্রধান শিক্ষক হাফেজ মো. মিলন বেত্রাঘাতের কথা স্বীকার করেন এবং নিজের ভুলের জন্যে অনুতাপ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আমি শিক্ষক হিসেবে শাসন করতে গিয়ে বেত্রাঘাত করে ফেলছি। যা করা আমার ঠিক হয়নি। তবে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এ অভিযোগটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। একজন সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এটা করা ঠিক হয়নি।
এ ব্যাপারে অভিযোগকারী সহকারী শিক্ষক আবদুল আউয়াল বলেন, আমি এই মাদ্রাসায় বহু বছর প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। এখানে মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়নে আমার অনেক শ্রমঘাম রয়েছে। আমি মাদ্রাসার ভালো চাই।








