প্রকাশ : ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:০১
ব্রাজিলের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন শিক্ষক রাসেল মিয়া

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সফল ও নান্দনিক দল ব্রাজিল। ১৯৯৪ ও ২০০২ সালের বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতি এখনও কোটি কোটি সমর্থকের হৃদয়ে অমলিন। সেই সময়ের খেলা দেখে বড় হওয়া ব্রাজিল সমর্থক মো. রাসেল মিয়া বিশ্বাস করেন, আসন্ন বিশ্বকাপে ব্রাজিল আবারও তাদের সেরা ফুটবল উপহার দিয়ে ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপ জয় করে নতুন ইতিহাস গড়বে।
|আরো খবর
চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক মো. রাসেল মিয়া বলেন, “আমি ছাত্রজীবন থেকেই ব্রাজিলের সমর্থক। ১৯৯৪ ও ২০০২ সালের বিশ্বকাপ জয় আমাকে ব্রাজিলের প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট করেছে। পেলে, রবার্তো কার্লোস, রোনালদো ও রোনালদিনহোর মনোমুগ্ধকর খেলা আজও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে স্থান করে আছে। বিশেষ করে রবার্তো কার্লোসের দুর্দান্ত ফ্রি-কিক এবং রোনালদোর গোল করার অসাধারণ দক্ষতা বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।” আর এবার নেইমারের খেলাও সকলে উপভোগ করবে।
তিনি আরও বলেন, “ব্রাজিল সবসময়ই আক্রমণাত্মক, সৃজনশীল ও দর্শনীয় ফুটবলের জন্যে পরিচিত। আমি আশাবাদী, এবারের বিশ্বকাপেও তারা তাদের ঐতিহ্য ধরে রেখে বিশ্ববাসীকে উপভোগ্য ফুটবল উপহার দেবে এবং শিরোপা জয় করবে।”
একজন শিক্ষক হিসেবে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে রাসেল মিয়া বলেন, “বর্তমান সময়ে সামাজিক অবক্ষয়, মাদকাসক্তি ও প্রযুক্তিনির্ভর জীবনযাপনের কারণে তরুণরা মাঠমুখী হচ্ছে না। অথচ খেলাধুলা একজন শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশ্বকাপের এই উৎসব আমাদের দেশের ছাত্র-ছাত্রীদের খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলবে বলে আমি আশা করি।”
তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, “সন্তানদের লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ করে দিতে হবে। সকালে কিংবা বিকেলে নির্দিষ্ট সময় মাঠে যাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে তারা সুস্থ থাকবে এবং ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকতে পারবে। খেলাধুলাই পারে একটি সুস্থ, সচেতন ও দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে।”
মো. রাসেল মিয়া মনে করেন, খেলাধুলার মাধ্যমে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, সহনশীলতা ও দলগত চেতনা গড়ে ওঠে, যা একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ জীবনে সফলতার পথ সুগম করে।
ডিসিকে /এমজেডএইচ








