প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১৪:৫২
ফরিদগঞ্জে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেসে ইউএনও সেটু কুমার বড়ুয়া
আমাদের প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে হবে

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদগঞ্জের উদ্যোগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল এন্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনারশিপ এন্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)-এর আওতায় দিনব্যাপী পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ মে ২০২৬) উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্লোল কিশোর সরকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফাহিম হোসেনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ফরহাদ।
|আরো খবর
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, অনুষ্ঠানে ৭০জন কৃষককে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে মৌলিক প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। যাতে কৃষকরা স্বল্প জমিতে পরিমিত সার ও কীটনাশক ব্যবহার করে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে পারেন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, তিন ফসলি, দু ফসলি ও এক ফসলি জমির পরিমাণ আমাদের দেশে এক সময়ে যে পরিমাণ ছিলো, তা এখন অনেকটাই কমে গেছে। ধরে নেই ১৯৭১ সালে ৩ কোটি একর ফসলি জমি ছিলো, ২০২৬ সালে এসে তা ১ কোটি একরে হয়তোবা নেমে এসেছে। এর অনেক কারণ রয়েছে-- জনসংখ্যা বৃদ্ধি, শিল্প কারখানা স্থাপন ইত্যাদি। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে তিন ফসলি জমি। যেখানে কৃষকরা সারা বছরই নানা জাতের ফসলের আবাদ করতো। কিন্তু জমির পরিমাণ কমলেও বেড়েছে উৎপাদন। এর কারণ কৃষকরা ক্রমশ প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বাড়াচ্ছেন। কিন্তু এই উৎপাদন যাতে নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিমিত সার, কীটনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সাথে উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। মূলকথা আমাদের প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে হবে। সেজন্যে সরকার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ আয়োজন করছে কৃষকদের জন্যে। বর্তমান সরকার ইতোমধ্যেই কৃষকরা যাতে আরো বেশি কৃষি কাজে মনোযোগী হতে পারে, সেজন্যে কৃষি কার্ডের ব্যবস্থা করেছে। ইতোমধ্যেই পাইলটিং প্রকল্প শুরু হয়েছে। আশা করছি, দ্রুতই তা ফরিদগঞ্জে এসে পৌঁছবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ১০ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাবে।








