মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৯

ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক এমপির উদ্যোগ

শাহরাস্তি ও হাজীগঞ্জের ৪৫টি বাজারে আজ থেকে বন্ধ হচ্ছে খাজনা উত্তোলন

সকল জায়গায় ইজারা ও চাঁদাবাজি বন্ধ থাকবে। কোনো অজুহাতে মানুষের প্রতি অন্যায়, অত্যাচার ও জুলুম মেনে নেয়া হবে না'

মো. মঈনুল ইসলাম কাজল
শাহরাস্তি ও হাজীগঞ্জের ৪৫টি বাজারে আজ থেকে বন্ধ হচ্ছে খাজনা উত্তোলন
ছবি : সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক।

শাহরাস্তি ও হাজীগঞ্জ উপজেলার ৪৫টি বাজারে আজ থেকে খাজনা আদায় বন্ধ হতে যাচ্ছে। এসব বাজারে খাজনা আদায়ের নামে হয়রানি, দখল, চাঁদাবাজি, অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বাজারগুলোতে আধিপত্য বিস্তার, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে ইজারা গ্রহণ, দলীয় প্রভাবসহ নানান অভিযোগে নাজেহাল হতে দেখা যেতো সাধারণ ও প্রান্তিক চাষীদের। চাঁদাবাজি ও দখলের মতো অপরাধগুলোর উৎপত্তি বাজারকেন্দ্রিক। বর্তমান সরকার চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। শাহরাস্তি ও হাজীগঞ্জ উপজেলার বাজারগুলোতে খাজনা আদায় বন্ধ একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। ইতঃপূর্বে এ ধরনের উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি কোনো সরকার অথবা ব্যক্তিকে। নির্বাচিত হওয়ার পর স্থানীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হকের উদ্যোগে নির্বাচনী এলাকার সকল বাজারে প্রান্তিক চাষীদের সহায়তাহয়রানি বন্ধে দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে এটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর চাঁদপুর-৫ আসনের দু উপজেলায় চাঁদাবাজি ও কৃষকদের হয়রানি বন্ধের ঘোষণা দেন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক এমপি। উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক ইতোমধ্যেই বাজারগুলোতে ইজারা দেয়ার বিজ্ঞাপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর রাজনৈতিকভাবে সরকারি সকল নিয়মনীতি অনুসরণ করে সরকারি কোষাগারে রাজস্ব জমা দেয়া হয়েছে। পহেলা বৈশাখ শাহরাস্তিতে এ আয়োজনের উদ্বোধন করবেন সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক। ইতোমধ্যেই বাজারগুলোকে খাজনামুক্ত ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ রুপম জানান, প্রান্তিক চাষীদের হয়রানি বন্ধে এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন সংসদ সদস্য মহোদয়। আমরা দলীয়ভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছি। এটি একটি মহতী উদ্যোগ। এতে করে খাজনা আদায়ের বাহানা করে কেউ অতিরিক্ত টাকাচাঁদাবাজি করতে পারবে না। ‌

উপজেলা বিএনপির সভাপতি আয়েত আলী ভূঁইয়া জানান, আমরা জনগণের কাছে দেয়া সকল প্রতিশ্রুতি একে একে রক্ষা করতে প্রস্তুত। এটি আমাদের প্রতিশ্রুতির মধ্যে একটি।

শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিয়া হোসেন জানান, এ ধরনের উদ্যোগ ইতঃপূর্বে দেখিনি। এটি একটি মহতী উদ্যোগ। এতে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি হবে না। ইতোমধ্যেই রাজনৈতিকভাবে রাজস্ব পরিশোধ করা হয়েছে।

চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক বলেন, আমরা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কথা চিন্তা করে এ উদ্যোগ নিয়েছি। খাজনা আদায়ের নামে হয়রানির শিকার হতে হয় সাধারণ জনগণকে। অনেকেই এই অজুহাতে চাঁদাবাজি করে থাকে। আমার সংসদীয় আসনে কোনো প্রকার চাঁদাবাজি ও মানুষ হয়রানি যেন না হয় সেই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বাসস্ট্যান্ড, সিএনজি স্ট্যান্ডের মতো সকল জায়গায় ইজারা ও চাঁদাবাজি বন্ধ থাকবে। কোনো অজুহাতে মানুষের প্রতি অন্যায়, অত্যাচারজুলুম মেনে নেয়া হবে না। ডিসিকে/ এমজেডএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়