প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩৭
সুজনের 'জনগণের মুখোমুখি অনুষ্ঠান'
চাঁদপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনসহ ব্যাপক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে
....মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী এএইচএম আহসান উল্লাহ

চাঁদপুর-৩ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত মোমবাতি প্রতীকের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সাংবাদিক এএইচএম আহসান উল্লাহ বলেছেন, সবার আগে বাংলাদেশ এবং ইসলাম। ইসলামের অন্যতম বাণী হচ্ছে, দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ।রোববার (১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে চাঁদপুর শহরের বাবুরহাট স্কুল মাঠে চাঁদপুর-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে সুজন আয়োজিত 'জনতার মুখোমুখি' অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। জনাব আহসান উল্লাহ বলেন, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। স্বাধীনতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ এবং লালন করে কুরআন সুন্নাহভিত্তিক ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করার লক্ষ্যে আমার সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত তথা সুফি দর্শনের আলোকে এদেশের আপামর জনতাকে একত্রিত করে একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে ১৯৯০ সাল থেকে রাজনৈতিকভাবে ভূমিকা রেখে আসছে। আজকের এ অনুষ্ঠানে আমি সবার সামনে অঙ্গীকার করছি, আমার দল যদি এবারের নির্বাচনে সরকার গঠনে অংশীদার হতে পারে, তাহলে অবশ্যই কুরআন সুন্নাহর আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনায় ভূমিকা রাখবে। সকল দল-মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়বে। মানুষের মৌলিক চাহিদাকে প্রাধান্য দেবে। মৌলিক চাহিদার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বৈষম্য করা হবে না। এটাই হচ্ছে ইসলামের বিধান। ইসলামের এই বিধান বাস্তবায়নে আমাদের সামনে মদিনার সনদ এবং খেলাফায়ে রাশেদার খেলাফত রাষ্ট্র পরিচালনার অনুকরণীয় অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত রয়েছে।
তিনি চাঁদপুরের উন্নয়ন সম্পর্কে বলেন, চাঁদপুর ও হাইমচর নদীবেষ্টিত একটি জনপদ। অনেকে এই নদীকে অভিশাপ হিসেবে দেখছে। কিন্তু আমি নদীকে আশীর্বাদ হিসেবে দেখছি। চাঁদপুরের এই
নদী-সম্পদকে কাজে লাগিয়ে আমি চাঁদপুরকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করবো। চাঁদপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনসহ চাঁদপুরকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলবো। যেখানে থাকবে ব্যাপক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা। চাঁদপুরকে বাংলাদেশের একটি মডেল হিসেবে গড়ে তুলবো। যেখানে থাকবে না কোনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মব সন্ত্রাস, মাদক, লুটপাট, দখলবাজি, দলবাজি ইত্যাদি সমাজ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড। আর যদি আমি বিজয়ী হতে নাও পারি, তবে সকলের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চাঁদপুরকে কীভাবে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ এবং মবমুক্ত একটি সুন্দর বাসযোগ্য নিরাপদ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা যায় সে লক্ষ্যে নিজেকে আত্মনিয়োগ করবো।
তিনি ভোটের মাঠের সকল সহযোদ্ধাকে একমঞ্চে বসার সুযোগ করে দেয়ার জন্যে অনুষ্ঠানের আয়োজক সুজনকে ধন্যবাদ জানান।
সুজন চাঁদপুর জেলা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মোশারেফ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত এমপি প্রার্থী হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাড. মো. শাহজাহান মিয়া, কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকের প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। অনুষ্ঠান সমন্বয়কের দায়িত্বে ছিলেন সুজন চাঁদপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রহিম বাদশা।







