প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২:৩৩
ফরিদগঞ্জে জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা উদ্বোধনকালে ইউএনও সেটু কুমার বড়ুয়া
অধর্মের নাশ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠাই প্রতিটি ধর্মের মহাপুরুষদের অন্যতম উদ্দেশ্য

পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথি (জন্মাষ্টমী) উপলক্ষে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ফরিদগঞ্জে সকালে মন্দিরে মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণের পূজা-অর্চনা ও দুপুরে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকেলে আয়োজিত হয় ধর্মীয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। ফরিদগঞ্জ উপজেলা সদরস্থ কেন্দ্রীয় মন্দির শ্রী শ্রী লক্ষ্মীনারায়ণ জিউর আখড়ার সামনে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ আল আমিন হোসাইন।
|আরো খবর
এর আগে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া।
উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, "অধর্মের নাশ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠাই প্রতিটি ধর্মের মহাপুরুষদের অন্যতম উদ্দেশ্য। আজকের এই তিথিতে সনাতন ধর্মের অন্যতম অবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। শৈশব থেকেই তিনি দুষ্টু অসুর ও সমাজের অহিতকারীদের বিনাশ করেছেন। পরবর্তীতে মহাভারতের যুদ্ধের মাধ্যমে তিনি ধর্ম স্থাপনে সফল হয়েছিলেন। আমাদের সন্তানদের শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের কারণ এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও অধর্মের বিনাশে তাঁর জীবন ও কর্মের কথা জানাতে হবে।"
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ওসি (তদন্ত) আল আমিন হোসাইন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, "আমাদের মহাপুরুষদের জীবনাদর্শ অনুসরণ করে সমাজে সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে।"
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক লিটন কুমার দাস, সদস্য সচিব প্রবীর চক্রবর্তী, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ডা. পরেশ চন্দ্র পাল, সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার মজুমদার, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি হিতেশ শর্মা, উপজেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি কানাই লাল জনক, সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ রবিদাস, সাংগঠনিক সম্পাদক নিত্য গোপাল অধিকারী, শ্রী শ্রী লক্ষ্মীনারায়ণ জিউর আখড়ার যুগ্ম সম্পাদক শ্যাম মজুমদার, যুব কমিটির সভাপতি রঞ্জন সাহা, দাসপাড়া রাধা-গোবিন্দ মন্দিরের সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস, সাধারণ সম্পাদক উত্তম দাস প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে শোভাযাত্রাটি উপজেলা সদরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে দাসপাড়ায় গিয়ে শেষ হয়।








