সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৫

অনেক নদী পুনর্জীবন পেয়েছে—ডাকাতিয়ার পরিণতি কোথায়?

মোহাম্মদ সানাউল হক
অনেক নদী পুনর্জীবন পেয়েছে—ডাকাতিয়ার পরিণতি কোথায়?

"ডাকাতিয়া নদীটিকে কি আবার পূর্ণরূপে ফিরিয়ে আনা সম্ভব?”—প্রশ্নটি এখন শুধু আবেগের নয়, বাস্তবতারও। একসময় যে নদী ছিলো প্রবহমান জীবনের প্রতীক, আজ তা অনেক জায়গায় সংকুচিত, ভরাট এবং দূষণের চাপে ক্লান্ত এক জলধারায় পরিণত হয়েছে। তবে নদীর এই অবস্থাই তার শেষ পরিণতি—এমনটা নিশ্চিত করে বলা যায় না। প্রকৃতির নিজস্ব পুনর্জাগরণের ক্ষমতা আছে, যদি তাকে সেই সুযোগ দেওয়া হয়। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, গভীরতা এবং সংযোগপথগুলো যদি সঠিকভাবে পুনরুদ্ধার করা যায়, তাহলে ডাকাতিয়া আবারও প্রাণ ফিরে পেতে পারে। সাম্প্রতিক দেশের বিভিন্ন স্থানে নদী পুনঃখনন ও দখলমুক্তকরণের মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তনের উদাহরণ তৈরি হয়েছে, যা ডাকাতিয়ার ক্ষেত্রেও আশার আলো দেখায়। কিন্তু সম্ভাবনা থাকলেই তা বাস্তবে রূপ নেয় না, প্রয়োজন হয় পরিকল্পিত ও ধারাবাহিক উদ্যোগের। ডাকাতিয়াকে ফিরিয়ে আনতে হলে প্রথমেই দরকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, যেখানে নদীর সম্পূর্ণ গতিপথ বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পুনঃখনন, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা—এই চারটি বিষয়কে নদীর পুনর্জীবনে অগ্রাধিকার দিতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়, কার্যকর তদারকি এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা না গেলে কোনো উদ্যোগই দীর্ঘস্থায়ী হবে না। তাই প্রশ্নটি শুধু সম্ভাবনার নয়, বরং কতোটা আন্তরিকতা ও বাস্তবায়নের ইচ্ছা রয়েছে—তার ওপরই নির্ভর করছে ডাকাতিয়ার ভবিষ্যৎ। ইতিহাস বলে ভারতের কেরালার কুট্টামপেরুর নদী একসময় পুরোপুরি মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছিলো। বছরের পর বছর দখল, বর্জ্য ফেলা এবং পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে নদীটি কার্যত অস্তিত্ব হারাতে বসেছিলো।

কিন্তু স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ এবং সরকারের পরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে নদীটির পুনঃখনন, দখলমুক্তকরণ এবং পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা হয়। প্রায় ছয় বছরের প্রচেষ্টায় নদীটি আবার প্রবাহ ফিরে পায় এবং আশপাশের পরিবেশ ও কৃষিতে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়। এছাড়াও ভারতের উত্তর প্রদেশের সোট নদীও একসময় প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিলো। নদীর তলদেশ ভরাট, দূষণ এবং অব্যবস্থাপনার কারণে এর স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। পরে স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের যৌথ উদ্যোগে নদীটির খনন, দূষণ অপসারণ এবং প্রাকৃতিক প্রবাহ পুনরুদ্ধার করা হয়। এই উদ্যোগের ফলে নদীটি আবার পানি প্রবাহ ফিরে পায় এবং পরিবেশগত ভারসাম্য পুনরুদ্ধার হয়। এই তালিকায় যুক্তরাজ্যের মার্সি-নদী একসময় 'biologically dead' বা জীববৈচিত্র্যহীন নদী হিসেবে পরিচিত ছিলো। শিল্প বর্জ্য ও দূষণের কারণে নদীটির অবস্থা এতোটাই খারাপ হয়েছিলো যে, সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব প্রায় ছিলো না। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, কঠোর পরিবেশ নীতি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নতির মাধ্যমে কয়েক দশকের প্রচেষ্টায় এই নদী আবার জীবন্ত হয়ে ওঠে। বর্তমানে সেখানে বহু প্রজাতির মাছ ও প্রাণীর বসবাস লক্ষ্য করা যায়। এই উদাহরণগুলো প্রমাণ করে—নদী নিজে মরে না, মানুষ চাইলে তাকে আবার বাঁচানো সম্ভব। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, ঢাকার পাশ দিয়ে প্রবাহিত তুরাগ নদী একসময় দখল ও শিল্পবর্জ্যে প্রায় অচল হয়ে পড়েছিলো। পরে আদালতের নির্দেশনা, বিআইডব্লিউটিএ'র উচ্ছেদ অভিযান এবং নদীর সীমানা নির্ধারণের মাধ্যমে ধাপে ধাপে দখলমুক্ত করার কাজ শুরু হয়। নদীর তীরে ওয়াকওয়ে নির্মাণ, সীমানা পিলার বসানো এবং নিয়মিত অভিযান পরিচালনার ফলে অন্তত কিছু অংশে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশ ফিরতে শুরু করেছে। যদিও পুরোপুরি পুনরুদ্ধার হয়নি, তবুও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এমনকি বুড়িগঙ্গা নদী দীর্ঘদিন ধরে দেশের সবচেয়ে দূষিত নদীগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত ছিলো। শিল্পকারখানার বর্জ্য, ট্যানারির বিষাক্ত পানি এবং নগর বর্জ্যের কারণে নদীটি প্রায় প্রাণহীন হয়ে পড়ে। পরে ট্যানারি স্থানান্তর, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে নদীটিকে পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এখনো চ্যালেঞ্জ থাকলেও আগের তুলনায় কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতেও দখল উচ্ছেদ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সময় বড়ো ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা অপসারণ, নদীর তীর উদ্ধার এবং নৌপথ সচল রাখার উদ্যোগের ফলে নদীর নাব্যতা কিছুটা ফিরে এসেছে। একইভাবে খুলনার ভৈরব ও রূপসা নদী ঘিরেও খনন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম চালানো হয়েছে, যা স্থানীয়ভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সংকটের গভীরতা যতোই বাড়ুক, ডাকাতিয়া এখনো এমন অবস্থায় পৌঁছায়নি, যেখান থেকে ফিরে আসা অসম্ভব। নদীর অনেক অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়নি—এখনো কোথাও কোথাও এর প্রবাহ টিকে আছে, আছে পুনরুদ্ধারের বাস্তব সুযোগ। মূল প্রশ্নটা তাই সম্ভাবনা আছে কি না, সেটি নয়; বরং সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্যে সময়মতো কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে কি না। সঠিক উদ্যোগ এবং দৃঢ় বাস্তবায়ন থাকলে এই নদী আবারও তার স্বাভাবিক রূপ ফিরে পেতে পারে। ডাকাতিয়া নদী এখনো সম্পূর্ণ নিঃশেষ হয়ে যায়নি—এই বাস্তবতাই আশার সবচেয়ে বড়ো জায়গা। অনেক অংশে সংকট স্পষ্ট হলেও কোথাও কোথাও এখনো পানির চলাচল রয়েছে, ঋতুভেদে প্রবাহের পরিবর্তন দেখা যায়, আর কিছু স্থানে নদীর প্রাকৃতিক চরিত্রের আভাস টিকে আছে। অর্থাৎ নদীটি পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি; বরং চাপের মধ্যে থেকেও তার অস্তিত্ব ধরে রাখার একটি নীরব চেষ্টা চলছে, যা একে পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনার দিকে ইঙ্গিত করে। নদীটির এই অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সম্পূর্ণ মৃত নদী ফিরিয়ে আনার চেয়ে আংশিক সচল নদী পুনরুজ্জীবিত করা অনেক বেশি বাস্তবসম্মত। যদি এখনই যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া যায়—প্রবাহ বাধাগুলো সরানো, পানির স্বাভাবিক গতিপথ ফিরিয়ে দেওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো পুনরুদ্ধার করা—তাহলে ডাকাতিয়া আবারও ধীরে ধীরে তার পুরোনো ছন্দ ফিরে পেতে পারে। অর্থাৎ সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি, তবে দেরি হলে এই সুযোগটিও হারিয়ে যেতে পারে। ডাকাতিয়া নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপগুলোর মধ্যে পরিকল্পিত পুনঃখনন অন্যতম। বছরের পর বছর পলি জমে নদীর তলদেশ উঁচু হয়ে যাওয়ায় অনেক জায়গায় পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, কোথাও কোথাও আবার নদী প্রায় খালে পরিণত হয়েছে। এই অবস্থায় এলোমেলো বা খণ্ডিত খনন নয়, বরং পুরো নদীপথকে বিবেচনায় নিয়ে একটি বৈজ্ঞানিক ও সমন্বিত ড্রেজিং পরিকল্পনা প্রয়োজন। কোথায় কতো গভীরতায় খনন করতে হবে, কীভাবে পানি চলাচল স্বাভাবিক রাখা যাবে—এসব বিষয় নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করেই কাজ শুরু করতে হবে, নাহলে সাময়িক উন্নতি হলেও তা স্থায়ী হবে না। পুনঃখননের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর ধারাবাহিকতা ও তদারকি। অনেক সময় খনন কাজ শুরু হলেও তা মাঝপথে থেমে যায় বা যথাযথভাবে সম্পন্ন হয় না, ফলে নদী দ্রুতই আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। তাই শুধু খনন করলেই হবে না, এর সঙ্গে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং পুনরায় পলি জমার বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে রাখার ব্যবস্থাও থাকতে হবে। পাশাপাশি খননকৃত মাটি কোথায় এবং কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সেটিও পরিকল্পনার অংশ হওয়া জরুরি। সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে পরিকল্পিত ড্রেজিং ডাকাতিয়ার জন্যে নতুন প্রাণ সঞ্চারের ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে। ডাকাতিয়া নদী পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে অবৈধ দখল উচ্ছেদ একটি অপরিহার্য পদক্ষেপ। বছরের পর বছর ধরে নদীর তীর দখল করে গড়ে ওঠা বসতি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীর স্বাভাবিক প্রস্থ ও গতিপথকে সংকুচিত করে ফেলেছে। এই দখলমুক্তকরণ শুধু কাগজে-কলমে নয়, বাস্তবিক অর্থে কার্যকরভাবে সম্পন্ন করতে হবে। কঠোর আইনি প্রয়োগ, নিয়মিত অভিযান এবং উচ্ছেদের পর পুনরায় দখল ঠেকাতে স্থায়ী নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা না গেলে এই উদ্যোগ দীর্ঘস্থায়ী ফল দেবে না। নদীর সঠিক সীমানা নির্ধারণও সমান গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। অনেক স্থানে নদীর প্রকৃত প্রস্থ কোথায় শেষ হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে চিহ্নিত না থাকায় দখলদাররা সুযোগ নিচ্ছে। তাই নদীর দু তীরে স্থায়ীভাবে সীমানা পিলার স্থাপন, মানচিত্র অনুযায়ী পরিমাপ নির্ধারণ এবং আইনগতভাবে সেই সীমানা সংরক্ষণ করা জরুরি। এতে ভবিষ্যতে নতুন করে দখল প্রতিরোধ করা সহজ হবে এবং নদীর জায়গা নিয়ে অনিশ্চয়তা দূর হবে। দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্যে একটি সুসংগঠিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা অত্যন্ত প্রয়োজন। নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে গৃহস্থালি, বাজার ও অন্যান্য বর্জ্য সরাসরি নদীতে পড়া বন্ধ করতে হলে বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। নির্দিষ্ট ডাম্পিং স্থান, বর্জ্য সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থা চালু করা এবং নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ—এই বিষয়গুলো একসঙ্গে কার্যকর করতে হবে। তা না হলে খনন বা দখলমুক্তকরণের সুফলও দীর্ঘস্থায়ী হবে না। ডাকাতিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত খাল ও উপনদীগুলোর পুনরুদ্ধারও নদীর প্রাণ ফিরিয়ে আনার জন্যে গুরুত্বপূর্ণ। একসময় এসব খালই নদীতে পানি সরবরাহ করতো এবং আশপাশের জমিতে সেচের সুযোগ তৈরি করতো। কিন্তু অনেক খাল ভরাট হয়ে গেছে বা দখলের কারণে বন্ধ হয়ে আছে। এই সংযোগ পথগুলো পুনরায় খনন ও সচল করা গেলে নদীর পানির প্রবাহ স্বাভাবিক হবে এবং সামগ্রিক জলব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। স্থানীয়দের মতে, নদীতে নিয়মিত পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা না গেলে কোনো উদ্যোগই টেকসই হবে না। নদীর উৎস, সংযোগপথ এবং পানির স্বাভাবিক চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে তা ধীরে ধীরে আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। তাই কোথায় কোথায় প্রবাহে বাধা রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে অপসারণ করা এবং সারাবছর পানি চলাচলের ব্যবস্থা রাখা অত্যন্ত জরুরি। একটি নদী তখনই বেঁচে থাকে, যখন তার প্রবাহ সচল থাকে—ডাকাতিয়ার ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়। চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের সাবেক সভাপতি কাজী শাহাদাত মনে করেন, নদী পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে খণ্ডিত উদ্যোগ নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত কাঠামো তৈরি করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র খনন বা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়, যদি না এর সঙ্গে জড়িত থাকে কঠোর তদারকি, স্থানীয় পর্যায়ের অংশগ্রহণ এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা। তাঁর দৃষ্টিতে, ডাকাতিয়ার মতো নদীকে বাঁচাতে হলে উন্নয়ন পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে নদীকে রাখতে হবে, নইলে যে কোনো পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টা অল্প সময়ের মধ্যেই আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকবে। মোহাম্মদ সানাউল হক : ফিচার লেখক, সৌদি আরব প্রবাসী।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়