প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ০৯:৩৫
কোরবানির পশুকে কেমন খাবার দেওয়া উচিত

আগামী ২৮ মে ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। যারা পশু কোরবানি করেন, তারা প্রতি বছর বিভিন্ন হাট বা খামার থেকে গবাদিপশু কেনেন। যে পশুর মাধ্যমেই কোরবানি দেন না কেন, পশুটিকে পর্যাপ্ত খাবার দিতে হবে। কেননা পশুর খাবার খুবই প্রয়োজনীয় একটি জিনিস। তাই জেনে নিন কোরবানির জন্যে কেনা পশুকে কী ধরনের খাবার খাওয়াবেন--
কোরবানির পশুর ব্যবসায়ীরা পশুকে পর্যাপ্ত খাবার না দেওয়ায় এমনিতেই কিছুটা দুর্বল থাকে। তাই পর্যাপ্ত খাবার ও পানি দেওয়া উচিত। বিক্রির পর পশুরা খাবার খেতে চায় না। তাই পশুর জন্যে খাবারের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
পশুকে জোর করে বেশি খাবার খাওয়ানো ঠিক নয়। পশুর সামনে স্বাভাবিক খাবার দিতে হবে।
গরম থাকলে পানির সঙ্গে স্যালাইন মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে। কোরবানির আগের রাতে বেশি খাবার দেওয়া ঠিক নয়।
গবাদিপশু কেনার সময় খামারি বা বিক্রেতার কাছ থেকে পশুর খাদ্যাভ্যাস জেনে নিতে হবে। এ ছাড়া বিভিন্ন খাবার দিয়ে দেখতে পারেন--কোন্ খাবারে আগ্রহ দেখাচ্ছে; সেই খাবার বেশি দিন।
দূর থেকে আনা পশুকে সবার আগে পরিষ্কার পানি দিন। মুখ ডোবাতে পারে এমন পাত্রে পরিবেশন করুন।
পশুরা অনেক সময় ঠাণ্ডা পানি পান করতে চায় না। কুসুম গরম পানির সঙ্গে অল্প লবণ মিশিয়ে দিন।
পশুকে ভাতের মাড়ের সঙ্গে ভুষি, সবজির খোসা, চালের গুঁড়া, খৈল ও লবণ দিতে পারেন।
ভেড়া বা ছাগলের জন্যে গাছের পাতা, কাঁঠালের পাতা, ঘাস, অল্প ভাতের সঙ্গে চালের গুঁড়া বা ভাঙ্গা গম দিতে পারেন।
পশুকে ওজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভালো কোম্পানির রেডি ফিড খাওয়াতে পারেন।
শহরে থাকলে খৈল, খড় ও ঘাসের আঁটি এবং কাঁঠাল পাতা কিনে দিতে পারেন।
ঘরের পচা ও বাসি খাবার পশুকে খাওয়াবেন না। এতে পশুর পেট ফাঁপা রোগ হতে পারে।
ঈদুল আজহার দিন গরু জবাইয়ের অন্তত ছয় ঘন্টা পূর্বে কেবল কুসুম গরম পানি খাওয়াতে পারেন, অন্য খাবার খাওয়ালে গরু জবাইর পর চামড়া
খসানোর কাজটি সঠিকভাবে করা যায় না।








