বুধবার, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০০:২৪

অগ্নিবীণা পাঠাগারে পাঠক সমাবেশে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

বড় হতে হলে বই পড়ার বিকল্প নেই

বিশেষ প্রতিনিধি
বড় হতে হলে বই পড়ার বিকল্প নেই
অগ্নিবীণা পাঠাগারের পাঠক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার।

‘আলোকিত হই, পথ দেখাই’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে চাঁদপুরের বাবুরহাটে সামাজিক ও জ্ঞানচর্চামূলক সংগঠন অগ্নিবীণা পাঠাগারের উদ্যোগে ‘পাঠক সমাবেশ-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর ২০২৬) বিকেলে বাবুরহাট অগ্নিবীণা পাঠাগার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন সরদার।

তিনি বলেন, “বড় হতে হলে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। একটি মানবিক, প্রগতিশীল ও সৃজনশীল রাষ্ট্র গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি মননশীল বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।”

প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, “মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার তরুণ সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ফেসবুক কিংবা টিকটকের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অহেতুক সময় নষ্ট না করে শিক্ষার্থীদের বইমুখী হতে হবে। বইয়ের ভেতরের বিপুল জ্ঞান ও আনন্দের ভাণ্ডারকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।”

অগ্নিবীণা পাঠাগারের দীর্ঘ ১৭ বছরের কার্যক্রমের প্রশংসা করে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভবিষ্যতে পাঠাগারটির অবকাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আশরাফুজ্জামান কাজী রাসেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল-আমিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাবুরহাট ক্যাম্পাস ইনচার্জ মো. আবদুল আউয়াল, ৬ নম্বর উপাদী দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. নাজির হোসেন স্বপন, সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং অগ্নিবীণা পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন ঢালী।

সভাপতির বক্তব্যে আশরাফুজ্জামান কাজী রাসেল বলেন, “গত ১৭ বছর ধরে এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠাভ্যাস বৃদ্ধি ও জ্ঞানচর্চার প্রসার ঘটাতে অগ্নিবীণা পাঠাগার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠাগারের দরজা সবসময় উন্মুক্ত। আগামীতে আরও মানসম্মত ও সমৃদ্ধ বইয়ের সংগ্রহের মাধ্যমে পাঠাগারটিকে আরও উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে।”

তরুণ প্রজন্মের মাঝে বই পড়ার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি, সামাজিক মূল্যবোধ বজায় রাখা এবং একটি জ্ঞানভিত্তিক আলোকিত সমাজ গঠনের লক্ষ্যেই প্রতিবছরের মতো এবারও এই পাঠক সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা।

ডিসিকে /এমজেডএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়