প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬, ২২:৩৩
কচুয়ায় পাসের হার এসএসসিতে ৫৬ ও দাখিলে ৬০.৭৯ শতাংশ

কচুয়া উপজেলায় এসএসসিতে পাসের হার ৫৬, দাখিলে ৬৫ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ভোকেশনালে ৬০.৭৯ শতাংশ। চলতি বছর উপজেলার ৪০টি বিদ্যালয়ের ২৯৪৭জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৮১জন জিপিএ-৫সহ কৃতকার্য হয় ১৬৫৮জন। পাসের হার ৫৬.২৬।
|আরো খবর
কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২৪জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ২১জন জিপিএ-৫সহ কৃতকার্য হয় ১০৪জন। পাসের হার ৮৩.৮৭। এ প্রতিষ্ঠান সর্বাধিক জিপিএ-৫ ও ফলাফলের দিক থেকে উপজেলার সবার শীর্ষে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুন্সি মো. বাছির উদ্দিন জানান, শিক্ষামন্ত্রী ড. আনম এহছানুল হক মিলন এমপি মহোদয়ের নির্দেশনা ও নকল প্রতিরোধ শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় মনোযোগী করেছে। আমাদের সাফল্যের পেছনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সকলেরই প্রচেষ্টা রয়েছে।
দাখিল পরীক্ষায় ৩৭টি মাদ্রাসার ১৪৪৯জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ২০জন জিপিএ-৫সহ কৃতকার্য হয় ৯৪০জন। ডুমুরিয়া গাউছিয়া ছোবহানিয়া আলিম মাদ্রাসার ৩৩জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৪জন জিপিএ-৫সহ কৃতকার্য হয় ৩১জন। এ প্রতিষ্ঠানটি ফলাফলের দিক থেকে মাদ্রাসার মধ্যে উপজেলার সবার শীর্ষে রয়েছে। মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা হাশেম শাহ মিয়াজী বলেন, মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি উপজেলা শিক্ষা সমন্বয়ক অধ্যাপক আব্দুল ওয়াদুদ মজুমদার ভালো ফলাফল করার জন্যে নির্দেশনা ও সবাইকে উৎসাহিত করেছেন।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪ প্রতিষ্ঠান থেকে ২২৭জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৫জন জিপিএ-৫সহ কৃতকার্য হয় ১৩৮জন। পাসের হার ৬১। পনেরোটি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি। অপরদিকে পাথৈর উচ্চ বিদ্যালয়ের ২২জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে মাত্র দুজন। পাসের হার মাত্র ৯। দোঘর ইসলামিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার ১৯জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে কৃতকার্য হয় মাত্র ৫জন। পাসের হার ২৬।
ছবি : কচুয়ায় এসএসসিতে ফলাফলের শীর্ষে কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের উল্লসিত শিক্ষার্থীর একাংশ।





