মঙ্গলবার, ০২ জুন, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ০২ জুন ২০২৬, ০১:৩৯

বাকিলার যাত্রী ছাউনি গায়েব!

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি
বাকিলার যাত্রী ছাউনি গায়েব!
ক্যাপশন: চাঁদপুর জেলা পরিষদ কর্তৃক নির্মিত বাকিলা বাজারের পুরাতন যাত্রী ছাউনির মালামাল এভাবেই খুলে নিচ্ছেন স্ক্যাপার ব্যবসায়ী জসিম। ছবি: চাঁদপুর কণ্ঠ।

চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কস্থ হাজীগঞ্জের বাকিলা পশ্চিম বাজারের যাত্রী ছাউনি দিনে দুপুরে ভেঙে এর ইট, রড, সুরকিসহ সব নিয়ে গেছে স্থানীয় এক ব্যক্তি। রোববার (৩১ মে ২০২৬) ও সোমবার (১ জুন) দুই দিনে প্রায় ২০ জন লোক যাত্রী ছাউনি খুলে নিতে কাজ করেছে। জেলা পরিষদ থেকে নির্মিত এই যাত্রী ছাউনি ইজারা নবায়ন না থাকায় গত মাসে সওজের উচ্ছেদ অভিযানে ভেঙে ফেলা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাকিলা বাজারের পুরাতন যাত্রী ছাউনিটির একটি রুম ছিল কনফেকশনারী এবং অপর রুম যাত্রীদের বসার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কনফেকশনারীর ইজারাগ্রহীতা ছিলেন মৃত সুলতান মিজির ছেলে শুকুর আলম মিজি। সম্প্রতি শুকুর আলম মারা গেলে তার ছেলে সেখানে ব্যবসা চালাতেন। গত মাসে সওজের উচ্ছেদ চলাকালে লীজ নবায়নের কাগজপত্র না থাকায় ভেকু দিয়ে যাত্রী ছাউনির অর্ধেক অংশ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ভাঙা অংশের রড ও ইট দীর্ঘদিন অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, মরহুম শুকুর আলম মিয়াজীর বোন জামাই ইউসুফ বেপারী (৫৫) ভাঙা যাত্রী ছাউনির পুরো মালামাল স্ক্র্যাপ ব্যবসায়ী জসিমের কাছে বিক্রি করেন। এরপর গত দুই দিন ধরে প্রায় ২০ জন শ্রমিক দিয়ে রড, ইট, সুরকি ও খোয়া খুলে নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে ইউসুফ বেপারী জানান, তিনি টেন্ডার পেয়ে ভবন ভাঙার কাজ করছেন, তবে টেন্ডারের কাগজপত্র তার কাছে নেই বলে দাবি করেন।

জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. সলিম উল্যা সেলিম বলেন, ঘটনাস্থলে লোক পাঠানো হয়েছে। মালামাল ফেরত দিতে হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তকে জেলা পরিষদে হাজির হতে বলা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও জেলা পরিষদের সদস্য মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন বলেন, সরকারি ছুটির সুযোগে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ডিসিকে /এমজেডএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়