প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২:৩৭
বিজয়ীর সংবর্ধনায় অনুপ্রাণিত পুরান বাজারের কৃতী শিক্ষার্থীরা

মেধা, সাফল্য আর স্বপ্নকে উৎসাহিত করতে চাঁদপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী পুরান বাজার মধুসূদন উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা দিয়েছে বিজয়ী-নারী উন্নয়ন সংস্থা।
বিদ্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ৬ শিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। তাদের মধ্যে ২জন গোল্ডেন এ প্লাস অর্জন করে বিশেষ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে।
কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও সার্টিফিকেট তুলে দেন বিজয়ীর প্রতিষ্ঠাতা তানিয়া ইশতিয়াক খান। শিক্ষার্থীদের সাফল্যকে স্মরণীয় করে রাখতে অনুষ্ঠানে ছিলো ব্যতিক্রমী আয়োজন। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা নিজ হাতে তৈরি বিশেষ কেক কেটে অতিথি ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শাহীন সুলতানার উপস্থিতিতে শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেনের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সংগঠক ও ক্রীড়াবিদ জাকির হোসেন খান শিপন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আশিক খান, দৈনিক বাংলাদেশের আলোর জেলা প্রতিনিধি, চাঁদপুর জেলা ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিজয়ীর উপদেষ্টা সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী এবং দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুন।উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ওয়াহিদুর রহমান লাবু, সিনিয়র শিক্ষক দুলাল রায়, বিশ্বজিৎ চন্দ, দিলীপ কুমার দেবনাথ, সহকারী শিক্ষক শিপন শেখসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা বলেন, মেধার স্বীকৃতি শুধু একটি পুরস্কার নয়, এটি একজন শিক্ষার্থীর স্বপ্নকে আরও বড় করে দেখার সাহস জোগায়। কৃতী শিক্ষার্থীদের সাফল্য পরিবার ও বিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে সমাজের জন্যও গর্বের। তাদের এই অর্জন আগামী দিনের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
তারা আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও সাফল্যকে সামাজিকভাবে স্বীকৃতি দেয়ার পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যৎ স্বপ্নের প্রতি উৎসাহ দেখানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিজয়ীর এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পাশাপাশি সমাজে শিক্ষাবান্ধব ইতিবাচক পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।
সংবর্ধনা পেয়ে উচ্ছ্বসিত কৃতী শিক্ষার্থীরা বলেন, তাদের অর্জনকে এভাবে সম্মানিত করায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত। এই স্বীকৃতি ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং দেশ ও সমাজের কল্যাণে নিজেদের মেধা কাজে লাগানোর প্রেরণা জোগাবে।








