প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২:৪১
কচুরিপানায় ভরপুর সিআইপি বেড়িবাঁধের খাল।। নানা রোগের আশঙ্কা

সিআইপি বেড়িবাঁধের খালগুলো কচুরিপানায় ভরপুর হয়ে গেছে। এই জমাটবাঁধা কচুরিপানার কারণে খালের পানি নষ্ট হয়ে পড়ছে। এতে করে নানা রকমের রোগ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
|আরো খবর
সরজমিনে দেখা যায়, চাঁদপুর সিআইপি বেড়িবাঁধের ভেতরে থাকা খালগুলো কচুরিপানায় জমাটবদ্ধ হয়ে ভরপুর হয়ে যাওয়ায় খালের পানি নষ্ট হয়ে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে গেছে। খালে স্বাভাবিক পানির প্রবাহ নাই বললেই চলে। এতে করে খালের পানি লাল হয়ে নোংরা হয়ে গেছে। এই পানি থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।
খাল সংলগ্ন বসবাসকারীরা ময়লা নষ্ট পানি ব্যবহার করে থাকে। কচুরিপানার কারণে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন ধরনের রোগ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে ।
বর্তমানে খালগুলোতে এমনভাবে কচুরিপানা জটলা বেঁধে রয়েছে, কচুরিপানার জন্য খালের পানি পর্যন্ত একটু দূর থেকে দেখা যায় না।খালের পাশে বসবাসকারীরা খালে গোসল করা, গৃহস্থালির আসবাবপত্র ধোয়া ও নিত্য প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারছে না কচুরিপানার জন্য।
গত বছর খালগুলো নামেমাত্র পরিষ্কার করার কারণে পুনরায় কচুরিপানা জটলা বেঁধে ভরপুর হয়ে গেছে। এমনকি খালের কচুরিপানা পরিষ্কারের পুরো বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় না করে নামকাওয়াস্তে কিছু টাকা দিয়ে খাল পরিষ্কার কাজ শেষ করে।
জানা যায়, পাউবো কর্তৃপক্ষ কিছু কিছু খালে ২/৩ দিন ২০/১৫ জন শ্রমিক দিয়ে কচুরিপানা উত্তোলন করে পরিষ্কার কাজ শেষ করে ফেলে। আবার কিছু খালে মোটেও কচুরিপানা পরিষ্কার করা হয়নি। অনিয়মভাবে খাল পরিষ্কার কাজ করে টাকা আত্মাসাৎ করে।
স্থানীয়রা জানান, পাউবোর খালগুলো গতবছর নামমাত্র কচুরিপানা পরিষ্কার কাজ করা হয়েছে। ভালোভাবে পরিষ্কার করা হলে বর্তমানে এতো কচুরিপানা হতো না।
এ ব্যাপারে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদুন নবী মাসুম ও চাঁদপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রফিকুল হাসান ফয়সাল বলেন, কচুরিপানার কারণে খালে জলাবদ্ধতা হলে এবং পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে ওই স্থানের পানি নষ্ট হয়ে বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে। এতে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
এ ব্যাপারে পাউবোর নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে তাঁকে পাওয়া যায় নি।








