প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ২২:৪৮
কচুয়ায় ৩০ বছর পর অনুষ্ঠিত হলো ১৯৯৬ ব্যাচের মিলন মেলা

কচুয়ায় দীর্ঘ ৩০ বছর পর অনুষ্ঠিত হলো ১৯৯৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মিলন মেলা। বন্ধুত্বের টানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মায়ায় কেউ প্রবাস থেকে এবং দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ছুটে এসেছেন । হাসি-আনন্দ ও নেচেগেয়ে মেতে উঠেছেন সবাই। যেনো হুট করে ফিরে গেছেন শৈশবের দিনগুলোতে।শুক্রবার (১০ জুলাই ২০২৬) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠানের শুরুতে কচুয়া পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ফটো সেশন সহ হাসি, ঠাট্টা, আনন্দ উল্লাস ও স্মৃতিচারণায় মেতে উঠেন ৯৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ।
|আরো খবর
বিদ্যালয়ের হলরুমে কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়েই আলোচনার শুরুতে ৯৬ ব্যাচের যে সকল বন্ধু এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। পরে গান ও আবৃত্তি সহ নানান আয়োজনে পুরস্কার বিতরণীর ফাঁকে বারবিকিউ পার্টি আড্ডায় মেতে ওঠে । ৯৬ ব্যাচের এই আড্ডাটা শুধু একটা পার্টি ছিল না, ছিলো যেন সময়ের এক যাদু! মনে আছে সেই স্কুল লাইফের দিনগুলো? সেই হাসি-ঠাট্টা, একসাথে ক্লাস ফাঁকি দেওয়া? বিশ্বাস করেন আর নাই করেন, সেই দিনগুলো আবার ফিরে এসেছিলো শুক্রবার সন্ধ্যায়, যখন ৯৬ ব্যাচের বন্ধুরা এক হয়েছিল এক জমজমাট বারবিকিউ আড্ডায়। ভাবছেন, কেমন ছিলো সেই সন্ধ্যাটা? সন্ধ্যা নামতেই শুরু হলো কোলাহল। একজন আরেকজনকে দেখে যেন চিনতেই পারছিলো না! কিন্তু তারপরই পুরানো নাম ধরে ডাক আর হাসির ফোয়ারা। বারবিকিউয়ের সুঘ্রাণে আর আড্ডার রঙে চারিদিক ভরে উঠেছিলো। গান, গল্প আর স্মৃতির পরশ! কে ভেবেছিলো এতোগুলো বছর পর আমরা আবার এইভাবে জড়ো হতে পারবো? ছোটবেলার সব স্মৃতি যেন নতুন করে প্রাণ পেলো, মনে হচ্ছিলো যেন আমরা আবার সেই স্কুল ক্যাম্পাসে ফিরে গেছি। প্রতিটা মুহূর্ত ছিলো উৎসবমুখর আর স্মৃতিকাতর। বন্ধুদের সাথে এমন করে প্রাণ খুলে হাসার সুযোগ আজকাল আর কোথায় পাওয়া যায় বলুন তো! এই আড্ডাটা প্রমাণ করলো, বন্ধুত্ব হারায় না, শুধু একটু অপেক্ষা করে সঠিক সময়ের জন্যে। -এমন অভিব্যক্তিতে রঙিন হয়ে উঠে এই মিলন মেলা।








