মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ২৬ জুন ২০২৬, ০১:৫৪

কচুয়ায় অবৈধ ড্রেজার ও ভেকুর অবিরাম দাপট

মো. নাছির উদ্দিন
কচুয়ায় অবৈধ ড্রেজার ও ভেকুর অবিরাম দাপট

কচুয়ায় কোনো কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন ও ভেকু দিয়ে মাটির ব্যবসা। লিখিত অভিযোগ, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেল-জরিমানা বা মুচলেকার মাধ্যমে ছাড় এবং আদালতের স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা হওয়ার পরও কিছুতেই থামছে না একটি চক্রের পরিবেশ বিধ্বংসী অবৈধ ড্রেজার মেশিনে বালু উত্তোলন ও ভেকু দিয়ে মাটি বিক্রির ব্যবসা।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৫০টি পয়েন্টে ২০টির অধিক ড্রেজার মেশিনে বালু উত্তোলন এবং ৫০টির অধিক ভেকু মেশিনে মাটি বিক্রি করছে একশ্রেণির অসাধু প্রভাবশালী লোক। এতে ভাঙনের পাশাপাশি হুমকিতে রয়েছে ফসলি জমি, বসতভিটাসহ বিভিন্ন স্থাপনা। এজন্যে প্রভাবশালীদের ছত্রছায়া ও আইনের সঠিক প্রয়োগের অভাবকে দায়ী করছেন সচেতন মহল। পাশাপাশি পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা পরিবেশবাদীদের। এদিকে ফসলি জমির পাশে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন, ভেকু ও ট্রাক্টর দিয়ে মাটি বিক্রি বন্ধের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অনেক ভুক্তভোগী লিখিত আবেদন করেছেন।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার ৬নং উত্তর ইউনিয়নের জলা তেতৈয়া বিলে ২টি, পৌরসভার ধামালুয়ায় ২টি, ৩নং বিতারা ইউনিয়ন, ১নং সাচার ইউনিয়ন, ২নং পাথৈর ইউনিয়ন, ৯নং কড়ইয়া ইউনিয়ন, ৪নং পালাখাল মডেল ইউনিয়নসহ প্রতিটি ইউনিয়নে অবৈধ ড্রেজার মেশিন ও ভেকুর রাজত্ব চলছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু নাছির মুঠোফোনে বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করি। তারপরও প্রশাসনিক কর্মব্যস্ততার কারণে মাঠে তৎপরতা চালাতে একটু বিলম্ব হয়।কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল মুঠোফোনে বলেন, এ সমস্ত বালুখেকো ও মাটি উত্তোলনকারীদের বিষয়ে আমরা সর্বদা তৎপর।তাদের বিরুদ্ধে সবসময় অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ডিসিকে/ এমজেডএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়