প্রকাশ : ৩১ মে ২০২৬, ০৮:১০
ঘোড়াধারীর ইসমাঈল হোসেন রনির বিচারের দাবি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর

|আরো খবর
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৯ মে ২০২৬) ভোরে ফজরের নামাজের সময় ঘোড়াধারী গ্রামের নাসির মিয়াজির ঘরে ইসমাঈল হোসেন অনধিকার প্রবেশ করেন। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ইসমাঈল হোসেন রনি নাসির মিয়াজির ঘরে ঢুকে তার স্ত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এ সময় স্ত্রীর চিৎকারে নাসির মিয়াজি এগিয়ে এলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পারভীন আক্তার গুরুতর আহত হলে তাকে দ্রুত মতলব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে সেখান থেকে কর্মরত চিকিৎসক তাকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতাল পাঠান।
তাৎক্ষণিক এ ঘটনায় উভয়ের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হলেও স্থানীয় গণ্যমান্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, অভিযুক্ত ইসমাঈল হোসেন রনির বিরুদ্ধে একাধিক নানা ধরনের অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। তন্মধ্যে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং- ১৪৪৯, তারিখ : ১৮/০১/২০২৬) এবং চাঁদপুর আদালতে মামলা নং-৮৮৭/২৬ চলমান রয়েছে। এছাড়াও নিরীহ আত্মীয়-স্বজনের ওপর হামলা, জমি সংক্রান্ত বিরোধ, প্রতারণা এবং মাদক সংশ্লিষ্ট নানা ধরনের কথা বলে হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
স্বজনদের সাথে নানা ধরনের প্রতারণা হামলা-মামলা ও হুমকি ধমকিসহ নানা অভিযোগের কারণে রনির বিরুদ্ধে আত্মীয়-স্বজনরা একাধিক অভিযোগ মতলব দক্ষিণ থানায় দায়ের করেন। শুধু তাই নয়, নিজেদের আত্মীয়-স্বজন যারা প্রবাসে ভালো অবস্থানে রয়েছেন এমন স্বজনের কাছ থেকে মসজিদসহ ধর্মীয় নানা কথা বলে অর্থ সংগ্রহ করে সেটি নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেছেন এমন অভিযোগও রয়েছে।
নাম প্রকাশ করার না শর্তে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, বিভিন্ন স্থানে অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েদের বিবাহের জন্যে ভুয়া জন্ম নিবন্ধন তৈরি করে বিভিন্ন কাজী অফিসে সরবরাহ করার অভিযোগ রয়েছে রনির বিরুদ্ধে। এমন একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান রয়েছে।
এ সকল অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেন রনির ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে বারবার কল দিলেও তিনি তা রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে মতলব দক্ষিণ থানার ওসির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হবে। কোনো ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে নয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
ডিসিকে/ এমজেডএইচ








