প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:০১
ইব্রাহিমপুর চরের জমিতে মাছের ঘের তৈরির হিড়িক, নির্বিকার প্রশাসন
মালিকানা না খাস জমি?

|আরো খবর
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এসব জমির মালিকানাও আছে, আবার খাস জমিও রয়েছে। পূর্বপুরুষদের দলিল মূলে যারা জমির মালিক তারা দখলে নিয়ে প্রজেক্ট করছে। আবার খাস জমিতেও প্রজেক্ট করা হচ্ছে। কোন্ মৌজার কী পরিমাণ জমি কার কার মালিকানায়, কোনটি খাস জমি সে বিষয়টি অমীমাংসিত।
এমন পরিস্থিতিতে শুষ্ক মৌসুম আসলে দেখা যায় এই চরের ভিন্ন চিত্র। এখানে শত শত একর জমি দখলে নিয়ে ঝোপ জঙ্গল সাফ করে মাছের ঘের তৈরির প্রজেক্ট করা হয়। বর্তমানে সেখানে বৈধ কি অবৈধভাবে চরের মাটি কেটে মাছের ঘের বানানোর হিড়িক পড়েছে।এ ব্যাপারে নির্বিকার প্রশাসন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, আগে আওয়ামী লীগ সরকার থাকাকালীন আওয়ামী লীগ নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে চরের জায়গা দখলে নিতে একটি চক্র প্রভাব খাটিয়ে আর্থিক সুবিধা নিতো। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এখন সরকারে আসার সম্ভাব্য দলের নাম ভাঙ্গিয়ে প্রভাব বিস্তার করার অভিযোগ উঠছে।
তবে এখন যারাই মাছের ঘের করার নামে চরের জমিতে মাটি কাটছে, তারা বলছে, মালিকানাধীন জমিতে তারা ঝিল করছেন। চরের মালিকানা ও খাস এ জমি নিয়ে নেতাদের কেউ কেউ গোপনে পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ইব্রাহিমপুরের চরের জায়গাগুলোর দিকে নজর ভূমিদস্যুদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই ইউনিয়নের খোরখুদি ও ঘাউরা মৌজার ১/১ খাস খতিয়ান ইব্রাহিমপুর ৬ নং সি ও ১/১ খাস খতিয়ানে এক হাজারের অধিক সম্পূর্ণ খাস জমি। বাকি জমিগুলো মৌজার মালিকানা।
এই জমির কিছু অংশে ঝিল তৈরি করা হচ্ছে। ভেদেরগঞ্জের মাছ চাষী সবুজ একর প্রতি পঞ্চাশ হাজার টাকায় দশ বছরের জন্যে ভাড়ায় এই ঝিল তেরি করছেন বলে জানা যায়। এর সাথে একটি চক্র জড়িত।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সূত্রে জানানো হয়, চাঁদপুর সদর উপজেলার ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের চরফতেজংপুর চরে জোর করে কৃষকের ফসলি জমি কেটে মাছের প্রজেক্টের নামে শরীয়তপুরের লোকজন স্থানীয়দের যোগসাজশে ৫টি ভেকু দিয়ে মাটি কাটছে।
এ ব্যাপারে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
ডিসিকে/এমজেডএইচ







