প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০০:৫৭
জাতীয় স্বার্থে রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে
চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক এমপি

জাতীয় স্বার্থ, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক। তিনি বলেছেন, সঠিক ইতিহাস জনগণের মাঝে তুলে ধরতে হবে। কারণ, ইতিহাসের অনেক দিক বিকৃত করা সম্ভব হলেও গুগল কখনো ইতিহাস বিকৃত করতে পারে না।
শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) সকালে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। সেদিন সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক ভূমিকা না থাকলে আজকের এই স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠিত হতো না। সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমেই জিয়াউর রহমানের মতো একজন উদারপন্থী, গণতন্ত্রকামী ও জনপ্রিয় নেতা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় দেশ পেয়েছে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্ব।
তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ও ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরতে হবে। বর্তমান প্রেক্ষাপটেও জাতীয় স্বার্থ ও দেশের উন্নয়নের প্রশ্নে সবাইকে সব ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আতিকুর রহমান।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) একরামুল ছিদ্দিকের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. একেএম সলিম উল্যা সেলিম, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নুর আলম দীন, চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ মাস্টার, মজিবুর রহমান এবং জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ বাহার।
এ সময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএমএন জামিউল হিকমা, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান গাজী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম চিশতীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, দিবসটি উপলক্ষে সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসন ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে শিল্পকলা একাডেমিতে ‘প্রিয় মৃত্তিকা, প্রিয় জন্মভূমি, প্রিয়তম স্বদেশ’ শীর্ষক এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।








