প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২৬, ০০:৫৮
চাঁদপুর ও হাইমচরে অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং ইপিজেড স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে জমির সাইট পরিদর্শনে বেজা টিম

চাঁদপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল ও রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) স্থাপনের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চাঁদপুর সফরকালে স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিকের দাবির প্রেক্ষিতে দেওয়া আশ্বাসের ভিত্তিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
|আরো খবর
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)-এর নির্বাহী সদস্য সালেহ আহমেদের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার (২৩ জুন ২০২৬) সকালে সরকারি সফরে চাঁদপুর আসেন।
সকাল ১১টায় বেজা প্রতিনিধি দল চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলার ইব্রাহিমপুর মৌজার প্রায় ৬ হাজার ১৪ একর ৪৯ শতাংশ জমির সাইট পরিদর্শন করেন। এরপর তারা হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নে বেজার অনুকূলে বন্দোবস্তপ্রাপ্ত জমি পরিদর্শন করেন।
জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রতিনিধি দলটি এদিন চাঁদপুর জেলায় অবস্থান করে প্রস্তাবিত খাস জমিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রাথমিক উপযোগিতা ও সম্ভাব্যতা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে বেজা নির্বাহী সদস্য সালেহ আহমেদের নেতৃত্বাধীন দলে ছিলেন মহাপরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন), তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (তড়িৎ), পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন-১), পরিচালক (পরিবেশ ও উন্নয়ন), ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন কনসালটেন্ট, প্রাইড প্রকল্প, ইনফ্রাস্ট্রাকচার কনসালটেন্ট এবং বেজার জুনিয়র আরবান প্ল্যানার। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে হাইমচর উপজেলা প্রশাসন তাদের ফেসবুক পেইজে জানায়, মঙ্গলবার (২৩ জুন ২০২৬) চাঁদপুরের হাইমচরে শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। বেজার নির্বাহী সদস্য ও অতিরিক্ত সচিব সালেহ আহমেদ হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের চররাও ও ঈশালবালা মৌজায় প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে প্রাথমিক পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে ছিলেন জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান এবং বেজার অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিবৃন্দ।
।
মেঘনা নদীবেষ্টিত হাইমচর দীর্ঘদিন ধরে প্রাকৃতিক সম্পদ, ভৌগোলিক অবস্থান ও বিপুল সম্ভাবনা নিয়ে বৃহৎ বিনিয়োগ ও শিল্পায়নের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়িত হলে হাইমচর শুধু চাঁদপুর জেলার নয়, বরং সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে পারে।
এই অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠিত হলে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং হাইমচরের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এক নতুন যুগের সূচনা হবে। একই সঙ্গে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে এ অঞ্চল।
ডিসিকে/ এমজেডএইচ







