প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৫
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার
ছায়াশিকারি

নয়.
(পূর্বপ্রকাশিতের পর)
পৃথিবীর স্রষ্টা এক চমকপ্রদ নাট্যরূপকার! যিনি মধুও তৈরি করেছেন, আবার বিষও তৈরি করেছেন। মানুষও তৈরি করেছেন, আবার দানবও তৈরি করেছেন। সবই তাঁর সৃষ্টি। মানুষকে শুধু চিনে নিতে হয় কোনটা ভালো আর কোনটা মন্দ। যে ভালো-মন্দ বুঝতে পারে, দুনিয়াটা তারই জন্য এক পরীক্ষাস্বরূপ। তাকে পদে পদে পরীক্ষা দিতে হয়, তারপরই ফাইনাল পরীক্ষা আসে।
বিশ্বাস যেখানেই গড়ে ওঠে, ভাঙনের সম্ভাবনাও সেখানেই জন্ম নেয়। বৃষ্টি জানে না, নাহারের হাসি মাঝে মাঝে এত অতল কেন। কেন সে একা থাকে পুরোনো টাইপরাইটার ঘরে, যেখানে তার চোখ যেন কিছু লুকিয়ে রাখে শব্দের আড়ালে।
সেদিন বৃষ্টি ঢুকে পড়ে ওই ঘরে—যেখানে নাহার না থাকলেও টাইপরাইটার চলতে থাকে। মেশিনের কিবোর্ডে এক শব্দ স্পষ্ট হয়ে ওঠে, “নির্দেশ সফল।”
সঙ্গে সঙ্গে ঘরের কোণায় টুকটুক শব্দ করে খুলে যায় একটি গোপন তাক। সেখানে একটি ডিভাইস—তরঙ্গসংবেদী স্পাই-রেকর্ডার।
বৃষ্টি থমকে যায়। ঠিক তখনই ইমতিয়াজ একটা এনক্রিপ্টেড চ্যানেলে একটি বার্তা পড়ে: “নাহার চ্যানেল ১৭-এ সংযুক্ত। রাষ্ট্রীয় মেমোরি লিংক সক্রিয়।”
কে পাঠাল বার্তাটি, তা অজানা। কিন্তু সন্দেহ আর শঙ্কা একসঙ্গে কাঁপিয়ে তোলে প্রতিটি স্নায়ু। দৃশ্যপটে আসে সভাঘরের ফুটেজ, আবাল সিং একবার বলে উঠেছে : “নাহার সব জানে। তাকে খোঁজো। তবে এখনো দরজা বন্ধ করো না, হয়তো সে নিজেই ফিরে আসবে আমাদের কাছে।”
এরপর দেখা যায়, নাহার জনতার মিছিলে হাঁটছে; হাতে ধরে রেখেছে একটি সাদা কাগজে আঁকা রেখা। কিন্তু কাগজের ওপরে ইরফানের লেখা নয়, বরং সেখানে লেখা : ‘বিপ্লবের তথ্য সংগ্রহ সম্পন্ন। শাসকচক্র জানে, কে কোথায়।’
এই লাইনটা অনন্যার চোখে পড়ে। তার সারা শরীরে যেন ঠান্ডা স্রোত বয়ে যায়। সে ধীরে ধীরে বলে : ‘তবে কি আমরা সবসময় ভুল কারও ওপর ভরসা করেছি?’
ঠিক সেই মুহূর্তে আয়নাঘরের ভেতরে একাধিক স্পন্দন ভেসে আসে। রাষ্ট্রীয় বাহিনী জানে কে কখন কাঁপন ছড়িয়েছে, কে কখন হাত তোলেনি—সবই। আর নাহারই ছিল সেই চোখ, সেই কান।
তবে ঘটনা এখানেই থামে না। ঘরের এক কোণে, ইরফানের রেখে যাওয়া পুরোনো নোটে লেখা : ‘যদি কেউ আমাদের ভেতর থেকেই আমাদের বিক্রি করে, তবে স্মরণ রেখো—সবাইকে বিশ্বাস করতে নেই, কিন্তু বিশ্বাস হারালে বিপ্লব হয় না। এই শব্দ দিয়ে নয়, অনুভব দিয়েই ফেরা হবে।’
নাহারের ছোটবেলা কেটেছে আয়ত-চশমাওয়ালা এক বুদ্ধিজীবী বাবার ছায়ায়। তার বাবা ছিলেন ভাষানুগ অধিকারকামী, যিনি শহরের এক গোপন পাঠচক্র চালাতেন; যেখানে পাঠ হতো হারানো শব্দের, কবিতার, বাঙালির শতবর্ষের ইতিহাসের। সে পাঠচক্র ভেঙে দেওয়া হয় এক রাতে। রাষ্ট্রের বাহিনী ছদ্মবেশে প্রবেশ করে।
তাদের মধ্যে ছিল এক মুখোশধারী, তাকে বলা হতো—সাইলেন্স স্নাইপার। সে কেউ কথা বললেই কাঁপনের মাধ্যমে শনাক্ত করে নিরবচ্ছিন্ন বন্দিত্বে পাঠাত। সেই রাতে নাহার আড়াল থেকে বাবাকে নিয়ে যেতে দেখে। সে কিছু বলতে পারে না, চিৎকারও করতে পারে না। কারণ তার গলায় সরকার-স্থাপিত ‘ধ্বনি-সীমানা কলার’ ছিল—যেটা তার বাবাকে মুক্তির শর্তে তাকে পরানো হয়, যেন নাহার কোনোদিন প্রতিক্রিয়া না জানায়।
কিন্তু সেই প্রতিজ্ঞা ভেঙে যায় এক বছর পর, যখন সে তার বাবার কঙ্কাল খুঁজে পায় আয়নাঘরের অদূরের এক ঝুলন্ত পরিত্যক্ত কক্ষ থেকে। সাথে থাকে একটি জীর্ণ কাগজ, তাতে লেখা, “শব্দের চেয়ে ভয়াবহ রাষ্ট্র নেই।”
এই প্রেক্ষাপটেই রাষ্ট্র নাহারকে আমন্ত্রণ জানায় : “তুমি যদি চাও, এই বিক্ষোভ থামাতে সাহায্য করো। শব্দে নয়, ছায়ায় কাজ করো। মুখোশ পরো, রাষ্ট্র তোমাকে রক্ষা করবে।”
নাহার দ্বিধায় পড়ে। একদিকে তার বাবার উত্তরাধিকার, অন্যদিকে তার নিজের বেঁচে থাকার দাবি। তার কাজ হয় : বিদ্রোহীদের মধ্যে প্রবেশ করে তাদের পরিকল্পনা শনাক্ত করা, কিন্তু...।
ইরফান ছিল নাহারের একমাত্র আলোক-স্মৃতি। তারা একসময় একই গোপন পাঠচক্রে ছিল, সে সময় ইরফানের কবিতা নাহারকে আশ্রয় দিত। তবে যখন ইরফান ধীরে ধীরে নেতৃত্বে উঠে আসে, রাষ্ট্র নির্দেশ দেয়—‘ইরফানের কণ্ঠ হতে হবে নিঃশব্দ।’
নাহার এই আদেশ মানতে চায়নি। তাই সে দ্বৈত ভূমিকা নেয়। রাষ্ট্রকে আংশিক তথ্য দিয়ে সন্তুষ্ট রাখে, আবার ইরফানকে বাঁচানোর সুযোগ তৈরি করে দেয় একাধিকবার।
কিন্তু একটি ভুল সংকেত, একটি খোলা তরঙ্গফলক এবং একটি ভুলে ফেলে রাখা টাইপরাইটার বার্তা সবকিছু উন্মোচন করে ফেলে। নাহারের মুখোশ খুলে পড়ে, কিন্তু সেই মুহূর্তেই সে নিজেই বলে: “আমি চর ছিলাম, কিন্তু চরিত্রহীন নই। আমি বিশ্বাস ভেঙেছি, কারণ আমার বিশ্বাস কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। এখন আমি কেবল একজন মানুষ, যে বাঁচতে চায় শব্দের মাঝে।”
নিয়ন্ত্রকগোষ্ঠীর ইশারায় পরদিনই নাহারকে গ্রেপ্তার করে শব্দ-পুলিশ। তারা তাকে ধরে গারদখানায় চালান করে দেয়। নাহার প্রশ্ন করে, ‘আমার অপরাধটা কী?’ কিন্তু পুলিশ তার কথার উত্তর না দিয়ে তার ‘ধ্বনি-সীমানা কলার’ কেড়ে নেয়। তারপর তাকে আয়নাঘরের একটি কামরায় বন্দী রাখে।
কিছুক্ষণ অন্ধকার কামরায় পায়চারি করার পর ক্রমে ক্রমে ঘরের সবকিছু অন্ধকারের মাঝেও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এ সময় তার নজরে পড়ে কামরার এক কোণে পড়ে আছে একটি কালো কাপড়ে মোড়ানো মানুষ। লাশ নয়তো? নাহার মনে মনে প্রশ্ন করে।
এ সময় কালো কাপড় ছেড়ে উঠে বসে লোকটি। কাছে আসতেই তাকে চিনতে পারে নাহার, অস্ফুট কণ্ঠে উচ্চারণ করে—আরাধ?
আরাধ ফিসফিস করে বলে, ‘ঠিক। আমি আরাধ। এখানকার শব্দগুলোও নিয়ন্ত্রণগোষ্ঠীর মুঠোবন্দি। আমরা যা-ই বলব, তাদের কাছে সবকিছুই চলে যাবে, বিশ্লেষণ হবে। সুতরাং আমাদের হৃদয়ের সাথে হৃদয়ের কথোপকথন চলতে পারে।’
অবাক হয় নাহার। এটা কীভাবে? মনে মনে প্রশ্ন করে।
এ সময় নাহারের হৃদয়ে বেজে ওঠে, ‘আমরা এখন ২১২৫ সালে। ১৯৫২ সালে ভাষা-অবদমনের বিরুদ্ধে যে যুবকেরা গর্জে ওঠা বারুদের মুখে নিজেদের বুক পেতে দিয়েছিল, তারা এখন আমাদের ছায়াসঙ্গী। তারা বলে, ‘তোমরা আমাদের মতোই জীবনের মায়া ত্যাগ করো। জন্ম-মৃত্যু স্রষ্টার হাতে। তোমরা সাহসী হও। মৃত্যুকে ভয় কোরো না। কারণ শহীদরা কখনোই মরে না।’
কথাগুলো আরাধ বলেছে, কিন্তু সে তার মুখ দিয়ে উচ্চারণ করেনি। মূলত এগুলো ছিল আরাধের অন্তরের কথা, আর সেই অন্তরের কথাগুলোই নাহারের বুকের ভেতরে কীভাবে চলে এল, সে জানে না। অন্তরের কথাগুলো মস্তিষ্কের নিউরনের মধ্য দিয়ে ব্রেনের ভেতরে প্রবেশ করে তাকে গভীর চিন্তাশীল করে তোলে। নাহার ভাবে, তার কণ্ঠ ছিল নীরব, কিন্তু আমার বুকের ভেতর যেন শব্দেরা জেগে উঠল। তারা বলল, ‘ভয় নয়, ভাষা নয়, হৃদয়ই আমাদের অস্ত্র।’
আরাধ নাহারকে শেখায় কীভাবে চিন্তা নয়, অনুভবের মাধ্যমে বার্তা পাঠানো যায়। তারা একসাথে আয়নাঘরের দেওয়ালে অদৃশ্য ভাষায় লিখতে শুরু করে, যা কেবল হৃদয় দিয়ে পড়া যায়। শহরের অন্য বন্দিরাও ধীরে ধীরে এই ভাষা শিখে নেয়। একদিন নিয়ন্ত্রকগোষ্ঠী দেখে, তারা সবকিছু শুনছে, কিন্তু কিছুই বুঝতে পারছে না। কারণ বিদ্রোহ এবার শব্দে নয়, স্পন্দনে।
শহরের এক প্রান্তে, যেখানে শব্দ-পুলিশের নজর একটু কম, সেখানে একটি পুরোনো ট্রামস্ট্যান্ডে বসে আছে ইরফান। তার কানে নেই কোনো শব্দ, কিন্তু তার বুকের ভেতর বাজছে একটিই নাম—বৃষ্টি।
বৃষ্টি কি এখনো তাকে মনে রাখে? নাকি সে-ও নিঃশব্দ শহরের নিয়মে ভুলে গেছে ভালোবাসার ভাষা? হঠাৎ এক সন্ধ্যায়, যখন শহরের আকাশে শব্দহীন বজ্রপাত হয়, ইরফান দেখে—একটি ছায়া ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে। তার চোখে জল, কিন্তু ঠোঁটে একটিও শব্দ নেই।
বৃষ্টি। শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি পুরোনো ঘড়ির দোকান। দোকানটি বন্ধ বহু বছর, কিন্তু তার দেওয়ালে এখনো ঝুলে আছে কিছু থেমে যাওয়া সময়। এই দোকানের পেছনের দেওয়ালে, প্রতিদিন সূর্য ডোবার আগে, একটি ছোট কাগজ সেঁটে দেওয়া হয়—কখনো একটি কবিতার লাইন, কখনো একটি চিত্র, কখনো শুধু একটি বিন্দু।
এটাই ইরফান ও বৃষ্টির গোপন বার্তালাপ। ইরফান জানে বৃষ্টি প্রতিদিন আসে। সে দেখে, পড়ে, কখনো উত্তরও রেখে যায়—একটি শুকনো পাতা, একটি ছেঁড়া রুমাল, কিংবা একটি শব্দহীন চুম্বন।
তারা কথা বলে না, তারা দেখা করে না; তবুও তারা জানে, তারা একে অপরের ভেতরেই বাস করে।
তারা শব্দহীন সংকেত ব্যবহার করে—যেমন, নির্দিষ্ট রঙের কাগজ মানে ‘বিপদ’, একটি বাঁকা রেখা মানে ‘আমি আছি’, আর একটি অসমাপ্ত বাক্য মানে ‘তুমি কি শুনছ?’
তারা পুরোনো কবিতার লাইন ব্যবহার করে, যা শহরের সেন্সর বোঝে না, কিন্তু তাদের হৃদয় ঠিকই অনুবাদ করে।
একদিন ইরফান দেওয়ালে একটি বার্তা রেখে যায়, ‘আজ রাতেই আমি শহর ছাড়ব। যদি তুমি আসো, আমরা একসাথে চলে যাব। যদি না আসো, আমি জানব—তুমি শহরকে ভালোবেসে ফেলেছ।’
পরদিন সকালে দেওয়ালে কোনো উত্তর নেই। শুধু একটি ছোট আয়না ঝুলে আছে, আর তার পেছনে লেখা, ‘আমি আসব, কিন্তু শব্দ নিয়ে নয়; আমি আসব নিঃশব্দ হয়ে, যেন বাতাসের মতো।’
শহরের পুরোনো রেকর্ড অফিসে কাজ করে ইমতিয়াজ। তার কাজ পুরোনো নথি ডিজিটাল আর্কাইভে রূপান্তর করা। কিন্তু সে জানে, কিছু নথি আছে যেগুলো সিস্টেমে ঢোকানো নিষিদ্ধ। তবুও একদিন একটি পুরোনো ফাইল খুলতেই তার চোখ আটকে যায়—একটি বিবর্ণ ছবি, যেখানে এক যুবক দাঁড়িয়ে আছে ২০৫২ সালের এক মিছিলে, হাতে ধরা একটি প্ল্যাকার্ড : “শব্দ নয়, হৃদয়ই আমাদের অস্ত্র।”
ছবির পেছনে লেখা নাম—আরাধ ইমতিয়াজ। ইমতিয়াজ থমকে যায়। এই নাম তার দাদার! কিন্তু সে তো নিখোঁজ হয়েছিল বহু বছর আগে, শহরের ভাষা-নিষেধাজ্ঞার প্রথম দশকে।
অন্যদিকে, অনন্যা মেডিকেল কলেজে পড়লেও আগে সে ছিল ভাষাতত্ত্বের একজন ছাত্রী, যে গোপনে শহরের নিষিদ্ধ কবিতাগুলো সংগ্রহ করত। তার ঘরের দেওয়ালে ঝুলে আছে একটি কবিতার লাইন : ‘যে ভাষা হারায়, সে জাতি নিঃশব্দ হয় না, সে প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে আসে।’ এই লাইনটি সে পেয়েছিল তার মায়ের পুরোনো ডায়েরিতে। ডায়েরির শেষ পাতায় লেখা ছিল একটি নাম—নাহার।
ইমতিয়াজ বুঝতে পারে, তার দাদা আরাধ ছিল প্রথম শব্দ-বিপ্লবীদের একজন, যে আয়নাঘরের বন্দিত্ব থেকে পালিয়ে গিয়েছিল এবং গড়ে তুলেছিল এক গোপন নেটওয়ার্ক।
অনন্যা আবিষ্কার করে, তার মা নাহার ছিল সেই প্রথম হৃদয়-ভাষার বাহক, যার অনুভব আজও শহরের দেওয়ালে দেওয়ালে ছড়িয়ে আছে। তারা দুজন যখন একসাথে বসে পুরোনো নথি, কবিতা ও সংকেত বিশ্লেষণ করে, তখন তারা বুঝতে পারে—তারা কেবল উত্তরসূরি নয়, বরং নতুন বিপ্লবের বীজ।
এক রাতে, ইমতিয়াজ ও অনন্যা শহরের এক গোপন গ্যালারিতে প্রবেশ করে, যেখানে দেওয়ালে লেখা আছে অদৃশ্য ভাষার বার্তা, যা কেবল হৃদয় দিয়ে পড়া যায়। তারা পড়ে—‘যদি শব্দ হারিয়ে যায়, হৃদয় হয়ে উঠুক ভাষা। যদি কণ্ঠ রুদ্ধ হয়, চোখ হয়ে উঠুক কবিতা।’
সেই রাতে ইমতিয়াজ আর অনন্যা হাত ধরে রাস্তায় হাঁটে। তারপর মেডিকেল কলেজের দিকে আসতেই একটা জটলা চোখে পড়ে। তারা জামশেদ ও তার বাহিনীকে দেখে বুঝতে পারে আজও একজন খুন হয়েছে! কিন্তু এই অদৃশ্য খুনিটা কে? তা তাদের জানতেই হবে, না হলে একদিন হয়তো তাদের পালা চলে আসবে। বৃত্ত ধীরে ধীরে ছোট হচ্ছে, মৃত্যুর মিছিল বড় হচ্ছে। এভাবে আর চলতে দেওয়া যাবে না। ইরফানের সাথে দ্রুত বিষয়টা আলোচনা করতেই হবে। (চলবে)






